সর্বশেষ আপডেট
হিন্দুদের ইয়োগা অনুশীলন করা হচ্ছে ভারতের মসজিদে টাঙ্গাইলে করোনা ভা’ই’রা’স আ’ত’ঙ্কে প্রবাসী স্বামীকে ছেড়ে পালাল স্ত্রী যে কারণে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় তৃতীয়স্থান পাওয়া ঢামেকের শিক্ষার্থীর আ’ত্ম’হ’ত্যা’র চেষ্টা দেহ ব্যবসায় বেশি বিবাহিত নারীরা, ফাঁস হলো গোপন তথ্য… মাহফিল থেকে ফেরার পথে আলোচিত মুফাসসির আব্দুল্লাহ আল-আমিন গ্রেফতার বুয়েটের সেই ইফতি এখন রকেট ইঞ্জিনিয়ার মানবপাচারে এমপি জড়িত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন ‘ভূয়া’ ঢাকায় রেললাইনে সেলফি তোলার সময় ট্রেনের ধাক্কায় কিশোর নিহত তাহসানের মত হ্যান্ডসাম হতে প্লাস্টিক সার্জারি করাচ্ছেন সৃজিত! করোনা আক্রান্ত সন্দেহে টাঙ্গাইলে প্রবাসীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ স্থানীয়দের
এবার বিজেপির ৮০ নেতার পদত্যাগ…

এবার বিজেপির ৮০ নেতার পদত্যাগ…

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সিটিজেনশিপ (অ্যামেন্ডমেন্ট) আইনের বিরোধিতা করে মধ্য প্রদেশের ভারতীয় জনতা পার্টির প্রায় ৮০ মুসলিম নেতা শুক্রবার পদত্যাগ করেছেন। ইন্ডিয়া টিভির খবর।পদত্যাগকারী নেতাদের একজন হলেন রাজিক কুরেশি ফারশিওয়ালা। তিনি জানান, তারা দলের নবনির্বাচিত সভাপতি জে পি নাড্ডা কাছে সিএএ-কে বিভেদ সৃষ্টিকারী বলে লিখিতভাবে জানিয়ে পদত্যাগ করেছেন। তিনি জানান,

পদত্যাগকারীদের মধ্যে বিজেপির সংখ্যালঘু সেলের অনেকেই আছেন। গত বছরের ডিসেম্বরে সিএএ পাস হওয়ার পর তাদের জন্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।এই বিজেপি নেতা জানান, মানুষ আমাদের অভিশাপ দেয় এবং আমরা আর কতদিন এমন বিভেদ সৃষ্টিকারী আইনের বিষয়ে নীরব থাকব জানতে চায়। নির্যাতিত শরণার্থীরা যে ধর্মেরই হোক ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়া উচিত।

মুসলিম নেতারা তাদের চিঠিতে উল্লেখ করেন, ভারতীয় সংবিধানের আর্টিকেল ফোরটিন অনুসারে সব নাগরিকের সমান অধিকার আছে। কিন্তু বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার ধর্মের ভিত্তিতে সিএএ প্রয়োগ করছে।এই আইন দেশকে বিভক্ত করবে এবং এটি সংবিধানের মৌলিক নীতির বিরোধী। ফারশিওয়ালা বলেন, শুধু ধর্মের ভিত্তিতে একজনকে অনুপ্রবেশকারী বা সন্ত্রাসী বলা যায় না।

আরো পড়ুনঃ এবার ঝাড়খণ্ডে বিধান সভা নির্বাচনে বিজেপিকে হটিয়ে ক্ষমতায় আসছে কংগ্রেস, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) ও রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) জোট।আজ ২৩ ডিসেম্বর সোমবার ভোট গণনার শুরু থেকেই দু’পক্ষের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শুরু হয়। কিন্তু, সময় যত গড়াতে থাকে ততই ভোটের ফলাফল কংগ্রেস জোটের দিকেই ঝুঁকতে থাকে। ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে যায় পালাবদলের ইঙ্গিত। ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় মোট আসন ৮১টি।

সরকার গঠন করতে প্রয়োজন ৪১। ফলাফলঃ ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)- ২৫ কংগ্রেস (১৫)+ ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) (৩০) + রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) ১ – ৪৬ অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (আজসু)- ৩ ঝাড়খণ্ড বিকাশ মোর্চা (জেভিএম)- ৩ জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ)- ০ অন্যান্য- ৪ এদিকে ফলাফল স্পষ্ট হতে শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গাতেই জোটের সমর্থকরা বিজয় উল্লাস করা শুরু করে।

কোথাও জেএমএম ও কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে মিষ্টিমুখ শুরু হয়ে যায়। আবার কোথাও বাজি ফোটাতে শুরু করেন কংগ্রেস ও জেএমএম সমর্থকরা। ঝাড়খণ্ডের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বুথ ফেরত জরিপের বেশিরভাগই এবার বিজেপির থেকে কংগ্রেস-জেএমএম-আরজেডি জোটকেই এগিয়ে রেখেছিল। রাজ্যের একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হওয়ার পথে হেমন্ত সোরেনের জেএমএম।এদিকে টুইট করে মমতা লেখেন, ‘হেমন্ত সোরেন, আর এল ডি ও কংগ্রেসকে জয়ের জন্য অভিনন্দন। ঝাড়খণ্ডের মানুষ তাঁদের ইচ্ছে পূরণের জন্য আপনাদের উপর আস্থা রেখেছে। ঝাড়খণ্ডের সব ভাই ও বোনেদের জন্য রইল আমার শুভকামনা। সিএএ ও এনআরসি-র ক্ষোভের মধ্যেই সেখানে নির্বাচন হয়েছে। এই রায় জনগণের পক্ষে গিয়েছে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme