সর্বশেষ আপডেট
ছাত্রীকে প’র্ন দেখিয়ে ধ’র্ষণ করলো দুই শিক্ষক

ছাত্রীকে প’র্ন দেখিয়ে ধ’র্ষণ করলো দুই শিক্ষক

ভারতে ধ’র্ষণের ঘটনা বেড়েই চলেছে। এবার জোর করে প’র্নো’গ্রাফি দেখানোর পর এক সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘব’দ্ধধ’র্ষণের অভি’যোগ ওঠল দুই শিক্ষকের বিরু’দ্ধে। দু’‌জনেই প’লাতক। ভারতের মহারাষ্ট্রের মারাঠওয়াড়া এলাকার নান্দেদ জেলায় ঘটনাটি ঘটে। ভারতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, দুই শিক্ষক জোর করে এক সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে প’র্নোগ্রা’ফি দেখানোর পর একটি ঘরে বন্ধ রেখে গণধ’র্ষণ করেছে।

ঘটনাটি ঘটে প্রায় সাতমাস আগে। কিন্তু নাবা’লিকার বাবার অভি’যোগ নিতে চায়নি পুলিশ। অবশেষে ১৮ জানুয়ারি ঘটনায় যু’ক্ত থাকার অভিযোগে পাঁচজনের বিরু’দ্ধে মাম’লা রুজু করেছে পুলিশ। ওই কিশোরীর বাবা জানিয়েছেন, দুই অভিযু’ক্ত শিক্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ভিডিও দেখাবে বলে তার মেয়েকে একটি ঘরে নিয়ে যায়। এরপর জোর করে প’র্নোগ্রা’ফি দেখায়। তারপর ধ’র্ষণ করে।

আরো পড়ুনঃ সোহাগ নামে যুবকের সাথে দীর্ঘ পাঁচ বছরের প্রেম। সেই প্রেম ভেঙে দেড় মাস আগে বিয়ে হয় সাদ্দাম নামের এক ছেলের সাথে। বিয়ের মাত্র ৪৫ দিনের মাথায় ওই তরুণী মৃ’ত কন্যা সন্তান প্রসব করেছেন।সম্প্রতি ঘটনাটি ঘটেছে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজে’লার ধুবইল ইউনিয়নের কাদেরপুর গ্রামে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে ওই তরুণী নিজেই মিরপুর থা*নায় প্রেমিকের বি’রুদ্ধে ধ’র্ষণের অ’ভিযোগ করেন। পরে বিকালে ধ’র্ষণের অ’ভিযোগে তরুণীর প্রেমিক ও গর্ভপাত ঘটানোর দায়ে স্বামীকে আ’ট’ক করেছে মিরপুর থা*না পু’লিশ।

আ’ট’ককৃতরা হলেন- ভিকটিমের প্রেমিক কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজে’লার পোড়াদহ ইউনিয়নের স্বরুপদহ শিলের খাল এলাকার খয়বার আলীর ছেলে সোহাগ (১৮) এবং স্বামী একই উপজে’লার ধুবাইল ইউনিয়নের কাদেরপুর গ্রামের মোফাজ্জে’ল হোসেনের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২২)।
মা’মলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গ্রে’প্তার সোহাগের সঙ্গে গেল পাঁচ বছর ধরে ভিকটিমের প্রেমের স’ম্পর্ক ছিল। গেল বছরের দুই ফেব্রুয়ারি সোহাগ তাকে নির্মাণাধীন একটি বাড়িতে ডেকে নিয়ে শারীরিক স’ম্পর্ক করে।

এরপর আরও বেশ কয়েকবার তাদের মধ্যে শারীরিক স’ম্পর্ক হয়। কিন্তু পেটে বা`চ্চা আসার বিষয়টি ভিকটিম অনুমান করতে পারেননি বলে মা’মলার এজাহারে উল্লেখ করেন। এদিকে দেড় মাস আগে ভিকটিমের বাবা-মা সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে তার বিয়ে দেন। বিয়ের পরেই স্বামী জানতে পারেন তার স্ত্রী’ আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা। পরে গেল ১৯ জানুয়ারি রাতে স্বামী তাকে চারটি ট্যাবলেট খাওয়ান। এরপরই ওই নববধূর পেটে ব্যথা শুরু হয়।

পরদিন ২০ জানুয়ারি তাকে মিরপুর উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে একটি মৃ’ত কন্যা সন্তান প্রসব করেন তিনি। পরে মৃ’ত কন্যা সন্তানটিকে স্বামীর গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়। মিরপুর থা*নার ভারপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) আবুল কালাম জানান, মা’মলা দায়েরের পর অ’ভিযুক্ত ধ’র্ষক সোহাগ ও গর্ভপাতের দায়ে স্বামী সাদ্দামকে আ’ট’ক করা হয়েছে। তাদেরকে আজ বুধবার আ’দালতে পাঠানো হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme