সর্বশেষ আপডেট
প্রেমিককে পেতে কনকনে শীতে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসলো ১৪ বছরের কিশোরী । আমাদের নিয়ে আযহারী হুজুর ছাড়া আর কেউ এমন কথা বলেনিঃ হিজড়া প্রধান । প্রভাকে বিয়ে করলেন ইন্তেখাব দিনার । বিয়েতে সৌদি নারীদের পছন্দের শী’র্ষে বাংলাদেশি পুরু’ষরা । আজ ১৯/০১/২০২০ তারিখ, দিনের শুরুতেই দেখে নিন আজকের টাকার রেট কত । দেহ ব্যবসা করতে করতে যেভাবে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হলেন আলিয়া । শারীরিক সম্পর্কে মোটা পুরুষেরা বেশি সক্রিয়, বলছে গবেষণা । ওয়াজে তারেক মনোয়ারের বক্তব্য নিয়ে ফেসবুকে তুমুল আলোচনা । পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে হোটেলে গিয়ে যেভাবে খু’ন করা হল গৃহবধূকে । ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে হচ্ছেনা এসএসসি পরীক্ষা ।
ওমানের নয়া সুলতান হাইথামের অজানা সব তথ্য

ওমানের নয়া সুলতান হাইথামের অজানা সব তথ্য

আরব বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের শাসক ছিলেন ওমানে সুলতান কাবুস বিন সাঈদ। ৫০ বছর ওমান শা’সনের পর গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় মা’রা গেছেন তিনি। তার মৃ’ত্যুর পর নতুন সুলতান নির্বাচিত হয়েছেন তার চাচাতো ভাই হাইথাম বিন তারিক তৈমুর আল-সাঈদ। তার সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেয়া যাক। নতুন সুলতান হাইথাম বিন তারিক তৈমুর আল-সাঈদ সুলতান কাবুস বিন সাঈদের শা’স’নামলে ছিলেন ওমানের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী।

জন্ম ১৯৫৪ সালে। তবে সুলতান হওয়ার দৌঁ’ড়ে তার সঙ্গে ছিলেন তার আরও দুই চাচাতো ভাই। তারা হলেন উপ-প্রধানমন্ত্রী তারিক আল সাঈদ ও সাবেক নৌ’কমা’ন্ডার সিহাব বিন তারিক আল সাঈদ। তবে সবাইকে পাশ কাটিয়ে সুলতান হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন হাইথাম বিন সাঈদ। ওমানের সুলতান একই সঙ্গে দেশের প্রধানমন্ত্রী, সামরিক বাহিনীর সর্বো’চ্চ কমা’ন্ডার এবং প্রতির’ক্ষা, অর্থ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিন দিনের বেশি সুলতান পদ খালি রাখার নিয়ম নেই। সুলতান হাইথাম বিন তারিক তৈমুর আল-সাঈদ সদ্যপ্র’য়া’ত সুলতান কা’বুসের বিশেষ দূ’ত ছিলেন নানা সময়ে। এছাড়া তিনি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরও বেশ কিছু দায়িত্ব পালন করেন। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি ছিলেন ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত। এরপর ১৯৯৪ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত একই মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৯ সালে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালেয় পররাষ্ট্র সেবা প্রোগ্রামে স্নাতক সম্পন্ন করেন সুলতান হাইথাম। ক্রীড়ামোদি এই শাসক আশির দশকের শুরুতে ওমান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম প্রধান নির্বাচিত হন। ওমানের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন প্রকল্প ‘ওমান ২০৪০’ বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি ওমান প্র’তিব’ন্ধী অ্যাসোসিয়েশনের সম্মানসূচক প্রেসিডেন্ট। এর বাইরে সম্মানসূচক প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ওমানি-জাপানিজ ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশনের।

সুলতান নির্বাচনের প্রাথমিক দায়িত্ব অর্পিত ওমান রাজপরিবার প্রায় ৫০ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত পরিষদের ওপর। ব্যক্তিজীবনে অবিবাহিত হওয়ায় নিঃসন্তান আর আপন কোনো ভাই না থাকায় ২০১১ সালে নিজের উত্তরাধিকার ঘোষণার জন্য উত্তরাধিকার প্র’ক্রি’য়া সংশো’ধন করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি। প্রসঙ্গত. রক্ত’পা’তহীন এক অভ্যুত্থানে ১৯৭০ সালে বাবা সাঈদ বিন তৈমুরকে ক্ষ’ম’তাচ্যু’ত করে ক্ষ’ম’তায় বসেন কাবুস। ওমানের আল সাঈদ রাজবংশের চতুর্দশ প্রজন্ম ছিলেন তিনি। কাবুস বিন সাঈদ মৃ’ত্যুর আগে ক্যা’নসা’রসহ বিভিন্ন বা’র্ধ’ক্যজ’নিত রো’গে ভুগছিলেন। ২৯ বছর বয়সে ক্ষ’ম’তায় আসা কাবুসের বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme