সর্বশেষ আপডেট
প্রেমিককে পেতে কনকনে শীতে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসলো ১৪ বছরের কিশোরী । আমাদের নিয়ে আযহারী হুজুর ছাড়া আর কেউ এমন কথা বলেনিঃ হিজড়া প্রধান । প্রভাকে বিয়ে করলেন ইন্তেখাব দিনার । বিয়েতে সৌদি নারীদের পছন্দের শী’র্ষে বাংলাদেশি পুরু’ষরা । আজ ১৯/০১/২০২০ তারিখ, দিনের শুরুতেই দেখে নিন আজকের টাকার রেট কত । দেহ ব্যবসা করতে করতে যেভাবে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হলেন আলিয়া । শারীরিক সম্পর্কে মোটা পুরুষেরা বেশি সক্রিয়, বলছে গবেষণা । ওয়াজে তারেক মনোয়ারের বক্তব্য নিয়ে ফেসবুকে তুমুল আলোচনা । পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে হোটেলে গিয়ে যেভাবে খু’ন করা হল গৃহবধূকে । ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে হচ্ছেনা এসএসসি পরীক্ষা ।
মা’র্কিনিদের পা কে’টে ফেলার হু’মকি ই’রানের

মা’র্কিনিদের পা কে’টে ফেলার হু’মকি ই’রানের

কাশেম সোলাইমানিকে হ’ত্যার বদ’লা হিসেবে মার্কিনিদের পা কেটে ফেলার হু’মকি দিয়েছেন ই’রানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি।বুধবার (০৮ জানুয়ারি) রুহানি এ হু’মকি দিয়েছেন বলে খবর প্রকাশ করেছে ই’রানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম তেহরান টাইমস। খবরে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট রুহানি যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশে করে বলেছেন, তোমরা সোলাইমানির হাত কে’টেছো। কিন্তু আমরা তোমাদের পা কে’টে ফেলবো। এই এলাকায় তোমার চলার শক্তি থাকবে না। তিনি বলেন, সোলাইমানিকে হ’ত্যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এই এলাকায় প’তন ডেকে এনেছে। তাদের আর উঠে দাঁড়াতে দেয়া হবে না।

উল্লেখ্য, চি’রশ’ত্রু সৌদি আরবের সঙ্গে সম’ঝো’তার পথে অনেকদুর এগিয়ে গিয়েছিলেন সোলাই’মানি। আর সে কারণেই যুক্তরাষ্ট্র তাকে হ’ত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ধারণা করছেন আন্তর্জাতিক স’ম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। কেননা সৌদি-ইরান এক হয়ে গেলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো চিহ্নই আর থাকবে না। ইরানের সেনাবাহিনী ইস’লামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সবচেয়ে শক্তিশালী ও দক্ষ ব্রিগেড ‘কুদস ফোর্স’।

আর এই বাহিনীরই প্রধান ছিলেন মেজর জেনারেল কাসেম সোলাই’মানি। বাহিনীর প্রধান হিসেবে ছাড়াও সোলাই’মানির ছিল অসাধারণ সম’র দক্ষতা। তাকে ইরানের গণমাধ্যমে ‘মহাবীর’ হিসেবে চিত্রায়িত করা হয়েছে। আল কুদস ফোর্স ও সোলাই’মানির হাত ধরেই ইরানি সাম’রিক বাহিনী নিজেদের ছায়া শক্তির আন্তর্জাতিক বিস্তৃতি ঘটিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের আনাচে-কানাচে সোলাই’মানি ছড়িয়ে দিয়েছে কুদসের ছায়া বাহিনী।

যারা ইরানের পক্ষে ওইসব অঞ্চলে কাজ করছে।ইরাকের সঙ্গে ইরানের স’ম্পর্কের উন্নতি, রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে বন্ধুত্বও হয়েছে সোলাই’মানির সাম’রিক-কূটনৈতিক দক্ষতায়। বিশ্বজুড়ে সম’রবিদ্যায় সোলাই’মানি নতুন মাত্রা যোগ করেছেন সাম’রিক পদে থেকে কূটনৈতিক সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে। মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে ইরানের সবচেয়ে বড় শত্রু সৌদি আরব ও ইসরায়েল।

সৌদি-ইসরাইল আবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। সৌদির মতো শত্রুর সঙ্গেও ইরানের বন্ধুত্বের স’ম্পর্ক তৈরির পথে অনেকদুর এগিয়ে গিয়েছিলেন সোলাই’মানি। ইরাকের মাধ্যমে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক বৈঠকও হয় তার। ফলে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কূটনৈতিক আতঙ্ক হয়ে ওঠে সোলাই’মানি।সোলাই’মানির এসব তৎপরতা না থামলে আর সৌদির সঙ্গে ইরানের বন্ধুত্ব হলে সেটি হতো,

ইরানের জন্য সবচেয়ে বড় শত্রুকে বসে আনা আর যুক্তরাষ্ট্রের পোষা বিড়াল বাঘে খাওয়া। ফলে এবার আর সোলাই’মানি হ’ত্যা করা ছাড়া বিকল্প নেই যুক্তরাষ্ট্রের হাতে। যদিও আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের তালিকায় স’ন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত ছিল সোলাই’মানি। গত শুক্রবার (০৩ জানুয়ারি) বাগদাদের বিমানবন্দরের সামনে সোলাই’মানির গাড়ি বহরে ক্ষেপণাস্ত্র হা’মলা করে তাকে হ’ত্যা করা হয়।

কিন্তু এ হ’ত্যার মাধ্যমে ট্রাম্প স’ন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অন্যদিকে ইরানিরা একত্রিত হয়েছে। গোটা ইরান নতুন করে জেগে উঠেছে।এমন অবস্থায় কুদস বাহিনীর নতুন প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কানি। তিনি কমান্ডার কাসেম সোলাই’মানির বহুদিনের সহযোদ্ধা ও কুদস বাহিনীর ডেপুটি ছিলেন তিনি। গত শুক্রবার তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ পেয়েই সোলেই’মানির হ’ত্যাকা’ণ্ডের জন্য ইরান ‘চরম প্রতিশোধ’ নেয়ার যে অঙ্গীকার করেছে তা পুনর্ব্যক্ত করেছেন জেনারেল কানি।সোলাই’মানির মতোই কানিও সাদ্দাম হোসেনের শাসন আমলে ১৯৮০ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত চলমান র’ক্তক্ষয়ী ইরান-ইরাক যু’দ্ধের অংশগ্রহণকারী অ’ভিজ্ঞ সেনা কর্মক’র্তা।

জেনারেল সোলাই’মানির হ’ত্যার প্রতিশোধ নিয়ে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া এক ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘শহীদ সোলাই’মানির হ’ত্যাকা’ণ্ডের বি’রুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে সর্বশক্তিমান সৃষ্টিক’র্তার নামে প্রতিশ্রুতি নিচ্ছি। নিশ্চিতভাবেই সেই পদক্ষেপ নেয়া হবে।’বুধবার সকালেই দেখা গেল সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন। ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের দুইটি সাম’রিক ঘাঁটিতে মুহুর্মুহু হাম’রঅ চালিয়েছে কুদস বাহিনী।

পরপর ২২টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এটি জেনারেল কিয়ানির দায়িত্ব পাওয়ার পর কোনো শত্রুর ওপর প্রথম আক্রমণ। এ হা’মলাকে যুক্তরাষ্ট্রের মুখে শুধুমাত্র ‘থাপ্পড়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। কিন্তু এই হা’মলায় লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে, ইরান যে ২২টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে তার একটি ক্ষেপণাস্ত্রও প্রতিরোধ করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা।

ফলে নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, ইরানের সামান্য থাপ্পড়ই কেন ঠেকাতে পারলো না মা’র্কিনিরা? ইরানের হা’মলার বি’রুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কোনো কাজেই আসেনি। তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এতটা দুর্বল হওয়ার কথা নয়। তাহলে কি, ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা অনন্য উচ্চতায় নিয়েছে? নাকি মা’র্কিনিরা ইরানকে ছোট কোনো প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ দিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপের পরিবেশ তৈরি করছে?

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme