সর্বশেষ আপডেট
সালাম না দেয়ায় শিশুকে পেটানো সেই ছা;ত্রলী;গ নেতা আ;টক ভালোবেসে ২ মাস আগে বিয়ে, স্বামীর দুই ঘণ্টা পর মারা গেলেন স্ত্রীও ২৪ বছর পর দেশে ফিরেই সড়ক দু;র্ঘট;নায় প্রাণ হারালেন প্রবাসী এবার টাঙ্গাইলে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধ’র্ষণ করলেন শিক্ষক মেয়ের ধ’র্ষণের বি’চার পাননি, উল্টো মিথ্যা মামলায় হাজিরা দিচ্ছেন স্বপন মামা খোঁ’জ মিলল টিকটকার সেই জাসমিনের, যে কারণে ছেড়েছিলেন ঘর এবার মুসলিমদের জন্য সৌ’দি স’রকার চালু করলো ‘হা’লাল প*তি’তালয়’ পদত্যাগ করলেন রাশিয়া সরকার মুসলিমদের স্বার্থে আর্থিক ক্ষ;তিকে ভয় পায় না মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া থেকে পাম তেল কিনবে না, তবুও ভারতের ‘বি;প;ক্ষে অ;নড়’ মাহাথির
লা’শ দা;ফন-কা;ফনেও বি;ধি-নি;ষেধ জা;রি করেছে সরকার !

লা’শ দা;ফন-কা;ফনেও বি;ধি-নি;ষেধ জা;রি করেছে সরকার !

নাগরিকত্ব আ;ইনবি;রো;ধী বিক্ষো;ভে উত্তর প্রদেশে অন্তত ১৯ জন নি’হত হয়েছেন। বি;ক্ষো;ভ দ;মনে ক;ঠোর অবস্থান নেওয়ার পর এখন নি’হতদের দা’ফ’নেও বি’ধি-নি’ষে’ধ আ’রো’প করছে। অনেক পরিবারকে বা’ধ্য করছে গো’পনে দ্রুত দা’ফন করতে। সংবাদমাধ্যম হাফিংটন পোস্টের এক প্র’তি’বেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

২০ বছরের মোহাম্মদ সুলেমান গু’লিবিদ্ধ হয়ে নি’হত হয় ২০ ডিসেম্বর। ওই দিন মধ্যরাতে নি’হতের বাবাকে কাছের পুলিশ স্টেশনে ডেকে নিয়ে দা’ফনের বিষয় নিয়ে আ’লো’চনা করে। সুলেমানের ম’রদেহ পাওয়া গিয়েছিল বিজনুর জেলার ব্য’স্ত এলাকায় নেহতাউর চৌমুহনীতে। নাগরিকত্ব আইনের বি’রু’দ্ধে মুসলমানদের বিক্ষো’ভ ও স্লোগানে পুলিশ গু’লি চালানোর অল্প কিছু সময় তার লা’শ পাওয়া হয়।

মৃ’ত্যুর পর সুলেমানের ম’র’দেহ বিজনুর জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ময়’নাত’দ’ন্তের জন্য পুলিশ তা আ’টকে রাখে। এক পুলিশ ক’র্ম’ক’র্তা নি’হতের বাবা জাহিদ হুসাইনের বাবাকে জানায়, পরদিন (২১ ডিসেম্বর) সুলেমানের ময়’না’ত’দ’ন্ত সম্পন্ন হবে। কিন্তু পরিবারের কাছে লা’শ এক শ’র্তে হ’স্তা’ন্ত’র করা হবে, তা হলো নেহতাউর থেকে দূরে কোথাও দ্রু’তই দা’ফন করতে হবে।

জা’না’জা’য় কোনও বন্ধু বা শো’কাহতকে আ’মন্ত্র’ণ জানানো যাবে না। ক’ঠো’র পুলিশি ব’ন্দো’ব’স্তের মধ্যে দা’ফন সম্পন্ন করতে হবে। সুলেমানের বড় ভাই শোয়েব পুলিশ স্টেশনে গিয়েছিলেন বাবার সঙ্গে। তিনি বলেন, পুলিশবলে তোমরা দা’ঙ্গা’কা’রী। দা’ফ’নেও তোমরা দা’ঙ্গা শুরু করবে। তারা আরও বলে যে কোনও জায়গায় গ’র্ত খু’ড়ো এবং পুঁ’তে ফেলো।

শোয়েব জানান, পরিবারের প’ক্ষ থেকে নি’হ’তে’র দা’ফ’নের ধ’র্মী’য় রী’তি ধৈ’র্য্য ধরে পুলিশকে বুঝিয়ে বলেছেন তারা। ২১ ডিসেম্বর সকাল ৭টার কিছুক্ষণ পর সুলেমানের ম’রদেহ পুলিশের একটি গাড়িতে তোলা হয়। গাড়িটি পুলিশ প্র’হ’রায় বিজনর থেকে বাগদাদ আনসার এলাকার একটি গো’র’স্থা’নে নিয়ে যাওয়া যায়। সেখানে তার নানি বাস করতেন।

একই দিন রাতে, নেহতাউর এলাকার আরেকটি নিরুপায় পরিবারকেও পুলিশের স’ঙ্গে একই ধরনের স’ম’ঝো’তা করতে হয়েছে। ৮ মাসের শিশুর বাবা ২১ বছরের আনাস হোসাইন একটি সরু গলিতে পুলিশের গু’লিতে নি’হত হন। এই ঘ’ট’না’তেও পুলিশ দূ’রে কো’থাও দা’ফ’নে রাজি না হওয়ার পূর্বে ম’র’দে’হ পরিবারকে হ’স্তা’ন্ত’রে রাজি হয়নি। আনাসের দা’ফ’নে’র সময় মিথান নামের গ্রামে একটি ক’ব’র’স্থা’নে পুলিশ পাহারা দেয়, নি’হতের ভাই ক’ব’র খু’ড়ে’ন, বাবা ছেলের ম’র’দে’হ’কে গো’স’ল করান।

আর তার চাচা ক’ব’রে লা’শের উপরে দেওয়ার জন্য কাঠ ও বাঁশের ব্যবস্থা করেন। বাবা আরশাদ হোসাইন বলেন, আমাদের পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যই আনাসকে শেষবার দেখার সুযোগ পায়নি। বিজনর এলাকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিশ্বজিত শ্রিবাস্তব নিশ্চিত করেছেন, সুলেমান ও আনাসের ম’র’দে’হ দূরে কোথাও দা’ফ’ন করার নির্দেশনা দেওয়ার বিষয়ে। নেহতাউরের পরিস্থিতি উ’ত্তে’জ’না’ক’র থাকায় এই নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি বলেন, পরিবার সম্মত হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme