গ’ভী’র রাতে বটগাছে ঝু’ল’ছিল মা’দ্রা’সা’ছা’ত্রীর লা’শ, নে’পথ্য…

গ’ভী’র রাতে বটগাছে ঝু’ল’ছিল মা’দ্রা’সা’ছা’ত্রীর লা’শ, নে’পথ্য…

নাটোরের বড়াইগ্রামে মাদ্রাসাছাত্রী হালিমা খাতুনকে ধ’র্ষ’ণের পর হ’ত্যা করে লা’শ বটগাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখার অভি’যোগ উঠেছে। সে উপজেলার চান্দাই ইউনিয়নের গাড়ফা মৎস্যজীবী পাড়া এলাকার হাসান আলীর মেয়ে এবং গাড়ফা দাখিল মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত। রোববার রাত ২টার দিকে পুলিশ গাড়ফা ত্রিমোহনী এলাকা থেকে তার লা’শ উদ্ধার করে।

হালিমার বড় বোন রহিমা খাতুন জানান, তিন ভাই চার বোনের মধ্যে হালিমা সপ্তম। তার বোনকে দীর্ঘদিন ধরে উ’ত্ত্য’ক্ত করে আসছিল লাদেন দেওয়ান। রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে লাদেন বাড়ি থেকে জরুরি কাজের কথা বলে ডেকে নেয় হালিমাকে। এ সময় তার সঙ্গে বুলু মিয়ার ছেলে ছোটন মিয়াও ছিল।

পরে রাত ৮টা বেজে গেলেও হালিমা বাড়ি না ফেরায় খোঁ’জা’খুঁ’জি শুরু হয়। রাত ১২টার দিকে এক পথচারী খবর দেন হালিমাকে মে’রে ত্রিমোহনী এলাকায় বটগাছের স’ঙ্গে ঝু’লি’য়ে রাখা হয়েছে। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লা’শ উদ্ধার করে। এ সময় হালিমার পরনের পোশাক র’ক্ত’মাখা ছিল।

বাবা হাসেন আলী বলেন, লাদেন দেওয়ান মেয়েকে উ’ত্ত্য’ক্ত করায় গ্রামের প্রধানদের কাছে অনেক ধ’রনা দিয়েছি। কিন্তু তারা মেয়ের জন্য কিছুই করতে পারল না। মা মমেনা বেগম বলেন, মেয়েকে পড়াশোনা করিয়ে বড় করতে চেয়েছিলাম। তবে লাদেন সেই স্বপ্ন পূরণ হতে দিল না। মেয়ে হ’ত্যা’র বিচার চাই।

নিহ’তের বাড়ি থেকে ঘট’নাস্থল আধা কিলোমিটার দূরে। নৌকা ছাড়া যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। যে বটগাছের ডালের সঙ্গে হালিমার লা’শ ঝু’ল’ন্ত ছিল, তা মাটি থেকে ৭ ফুট উঁচু। ঘটনা’স্থ’লে পাটের বস্তা দিয়ে তৈরি বালিশ, র’ক্তে’র দা’গ এবং পায়ের গোড়ালির চিহ্ন আছে। ঘট’না’স্থলের পাশেই বাড়ি তোফিজ উদ্দিনের। তিনি জানান, রাতে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ ১২টার দিকে ডাকাডাকি শুনে বাইরে এসে জানতে পারি

ঝুলন্ত অবস্থায় লা’শ পাওয়া গেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য আন্তাদুল ইসলাম জানান, লাদেন দেওয়ান প্রায় দেড় বছর আগে বিয়ে করেছে। সে বিভিন্ন সময় হালিমাকে উ’ত্ত্য’ক্ত করত। তাকে অনেকবার নি’ষে’ধও করেছি। লাদেন দেওয়ানের বাড়ি গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার খালাতো বোন মৌসুমী খাতুন জানান, তিন দিন আগে থেকে লাদেনের স্ত্রী বাবার বাড়িতে। মা-বাবা ভি’ক্ষা করতে বাইরে। আর লাদেন গত রাত থেকে বাড়ি ফেরেনি।

বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলীপ কুমার দাস জানান, রাতেই খবর পেয়ে ঘট’না’স্থলে গিয়ে লা’শ’টি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। সকালে মেয়ের বাবা থানায় এসে দু’জনের নামে একটি অভিযোগ করেন। সোমবার সকালে লা’শ ময়’না’তদ’ন্তের জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল ম’র্গে পাঠানো হয়েছে। ময়’না’ত’দ’ন্তের প্রতিবেদন পেলে জানা যাবে এটা হত্যা না আ’ত্ম’হ’ত্যা। হ’ত্যা হলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme