সর্বশেষ আপডেট
সৌদিতে না’রী ক’র্মীর বিষয়টি খুবই জটিলঃ পররা’ষ্ট্র ম’ন্ত্রী । মালয়েশিয়ার আদালতে ৪ বাংলাদেশি না’রীর কা’রাদ’ন্ড।, নেপথ্যে যে কারণ… ইতালিতে ম’সজিদে এ’কযো’গে হা’মলার প’রিক’ল্পনাঃ বিপুল পরিমান অ’স্ত্র উ’দ্ধার । মক্কায় ক্রে’ন দু’র্ঘটনাঃ আ’হত বাংলাদেশিকে যে প’রিমাণ ক্ষ’তিপূ’রণ দেয়া হলো । সৌদিতে গৃ’হক’র্মী নি’র্যা’ত’ন, দ্রু’ত’ই আ’সছে না কোন সু’সংবা’দ । গুলতেকিনের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে যা বললেন বড় ছেলে নুহাশ । সৌদি থেকে ফিরেছে ৫৩ নারীর মরদেহ, যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী । কিশোরগঞ্জে কুমারী মাতার সন্তান প্রসব নিয়ে তোলপাড় । মেয়েরা মিলনের চেয়েও বেশি পছন্দ করে এই বিষয়গুলো । বিয়ের ১৮ দিনের মাথায় আসমার মৃ’ত্যু, নেপথ্য স্বামী ।
নারী আসামির সঙ্গে আদালতের বাথরুমে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়লেন পুলিশ কর্মকর্তা ।

নারী আসামির সঙ্গে আদালতের বাথরুমে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়লেন পুলিশ কর্মকর্তা ।

চাঁদপুর জেলা জজ আদালতে কর্মরত পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আরিফ হোসেনকে এক নারীসহ আটক করা হয়েছে।আদালতের বাথরুমের ভেতরে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকায় আরিফকে হাতেনাতে ধরা হয়। পরে তাকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আরিফ হোসেনকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেন আদালত ভবনে উপস্থিত লোকজন। বিচারপ্রার্থী এক নারীর সঙ্গে তাকে পাওয়া যায় জেলা জজ আদালতের

দোতলার বাথরুমে। চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার মহজমপুর গ্রাম থেকে আগত বিচারপ্রার্থী নারী স্বামীর দায়ের করা দুটি মামলার আসামি। তিনিও একটি মামলা করেছেন স্বামীর বিরুদ্ধে। এসব মামলার কাজে ওই নারী বুধবার আদালতে আসেন। পরে তাকে বাথরুমে পাওয়া যায় পুলিশের সঙ্গে। এরপর তাদের দুজনকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। জানা যায়, পুলিশের এএসআই আরিফ হোসেন জেলা জজ আদালতে কর্মরত। জেলখানা থেকে প্রতিদিন আসামিদের আনা-নেয়ার কাজ তদারকি

করেন তিনি। বুধবার নারীসহ এএসআই আরিফকে আটকের ঘটনা জানতে পেরে ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর হোসেন মামুনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়। তারা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সহায়তা নিয়ে আটক পুলিশ ও নারীকে নিজেদের হেফাজতে নেন। এরপর নারীসহ পুলিশকে এসপি কার্যালয়ে নেয়া হয়। আইনি পদক্ষেপের পর নারীকে হস্তান্তর করা হয়েছে পরিবারের কাছে। বিকেলে অভিযুক্ত এএসআই আরিফ হোসেনকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে

পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, কারো ব্যক্তিগত অপরাধের দায় পুলিশ বাহিনী নিতে পারে না। তদন্তে পুলিশ সদস্য আরিফ হোসেন দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। অপ্রীতিকর এ ঘটনায় এসপি কার্যালয়ে কর্মরত পরিদর্শক (অপরাধ) নাজমুল হককে প্রধান করে এক সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন এসপি। আরো পড়ুন… সকাল ১১টা থেকে রাত

১২ টা পর্যন্ত রাজধানীর গুলিস্তান, সদরঘাট, নবাবপুর, ফকিরাপুল এলাকার কিছু কিছু আবাসকি হোটেল ঘুরে দেখা যায় দেহ ব্যবসার রমরমা চিত্র, হোটেলের প্রবেশ পথে টুলে বসে দু’জন হোটেল কর্মচারী ইশারায় ই্ংগিতে ডাকে আবাসিক হোটেল কর্মচারীরা।হোটেলে অবস্থানকারী উঠতি বয়সের বিপদঘামী মেয়ে ও বিবাহিত ভাবিরা স্বামীকে ফাকি দিয়ে তাদের চাকরী কর্মব্যস্ততার সুযোগে অথবা সন্তানকে স্কুলে রেখে সুযোগে তারা নিজেকে অন্ধকার জগতে পা বাড়াতে দ্বিধাবোধ করেনা। বাড়তি আয়ের লোভে

আবাসিক হোটেলে দিনের বেলা ভীড় জমাচ্ছে সবচেয়ে বেশী বিবাহিত নারীরা এমন তথ্য জানান একাধিক হোটেল কর্মচারিরা।আবার স্বামীর অজান্তে জৈালুষ জীবন যাপনের শেষ পরিনতি তালাক ও পারিবারিক হানাহানী, তাদের খদ্দের জোগাতে সর্বক্ষণিক ব্যস্ত ঢাকার আবাসিক হোটেলগুলো কর্মচারিরা।পথচারীদের কাউকে আকার-ইঙ্গিতে, কাউকে আবার সরাসরি প্রস্তাব দেয়া হচ্ছে। অনেকেই বিব্রত হচ্ছেন, যেন এই কর্মচারীদের এবং হোটেলের ভেতরে অবস্থানকারী পতিতাদের নি’রাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা

বদ্ধপরিকর। গুলিস্তানের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, রাত-দিন ২৪ ঘণ্টায়ই গুলিস্তান, সদরঘাট, ফকিরাপুল, খোদ পল্টন এলাকার বেশ কয়েকটি হোটেলে স্থানীয় ক্যা’ডারদের ছত্রছায়ায় দেহ ব্যবসা চলে।রাজধানীর অনেক এলাকায় একই রকম চিত্র দেখা যাবে। বিনা পুঁজিতে অধিক লাভ হওয়ায় পুরো রাজধানীতেই অসাধু হোটেল ব্যবসায়ীরা পতিতা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।বেশ কয়েকটি মধ্য ও নিম্নমানের হোটেলে দেহব্যবসা চলে অনেকটাই প্রকাশ্যে। সাধারণত এসব হোটেলে খদ্দের হিসেবে আসে মধ্য ও নিম্ন আয়ের

মানুষ।২৪ ঘণ্টায়ই চলে এ ব্যবসা। যে কেউ যে কোন সময় এসব হোটেলের সামনে দিয়ে হাঁটলেই খুব সহজেই বিষয়টি আঁচ করতে পারবেন, অনেকে খদ্দের হিসেবে আমন্ত্রণের ভাষা শুনে মাথা নিচু করে চলে যান। স্থানীয় ব্যাবসায়ীদের অ’ভিযোগ, পুলিশকে ম্যানেজ করেই হোটেল ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। পুলিশ
মাঝে-মধ্যে অ’ভিযান চালায় মূলত খদ্দেরদের ব্লে’ইকমেইল করে তাদের সবকিছু হাতিয়ে নিতে।হোটেল মালিক বা কর্মচারীরা মাসোহারার মাধ্যমে সমঝোতার ভিত্তিতে

বহালতবিয়তে থাকে। একাধিক সূত্র জানায়, ঢাকা মহানগরীর প্রায় সব এলাকায়ই দেহ ব্যবসা জমজমাট। কাকরাইল, ফকিরাপুল, যাত্রাবাড়ী, পুরানা পল্টন, কাওরানবাজার, ফার্মগেট, মহাখালী, বাড্ডা, মিরপুর, গাবতলী, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় এ ব্যবসা চলে পুলিশকে ম্যানেজ করেই।তবে দুই হোটেল মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নামীদামী হোটেলগুলোতে বিভিন্ন কৌশলে দেহ ব্যবসা চললেও সেটা কারও নজরে পড়ে না। নিম্ন আয়ের মানুষদের যৌ’ন চাহিদা মেটাতেই মাঝে মধ্যে হোটেলে পতিতা রাখা হয়। এটা তেমন দো’ষের কিছু নয় বলে দাবি করেন তারা। পুলিশকে ম্যানেজ করার বিষয়টিও তারা স্বীকার করেন। তবে দায়িত্বশীল একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রাজধানীর সব থানায় তো আবাসিক হোটেল নেই। যেসব থানায় হোটেল আছে, পুলিশ সেখানে নিয়মিতই অ’ভিযান চালায়। অ’সামাজিক কার্যক্রম ব’ন্ধে পুলিশের জোরাল তৎপরতা আছে বলে দাবি করেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]