সর্বশেষ আপডেট
যুবকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে গিয়ে ধরা পড়লেন প্রবাসীর স্ত্রী ।

যুবকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে গিয়ে ধরা পড়লেন প্রবাসীর স্ত্রী ।

নওগাঁর রাণীনগরে মোস্তাফা নামে এক যুবকের সঙ্গে শারী’রিক সম্পর্ক স্থাপন করতে গিয়ে স্থানীয় জনতার কাছে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন প্রবাসীর স্ত্রী। স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পারইল হাটখোলাপাড়া গ্রামে এক বাড়ি থেকে তাদের আটক করে স্থানীয় জনতা। পরে শনিবার ১১টার দিকে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় তাদের দুইজনের বিরু’দ্ধে মামলা করার পর শনিবার বিকেলে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মহল বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জোর চেষ্টা চালায়। কিন্তু যুবক মুসলিম ও প্রবাসীর স্ত্রী হিন্দু হওয়ায় এনিয়ে ওই গ্রামে চলছে নানা সমালোচনা। আটক যুবক মোস্তফা নারী লো’ভী, সু’দ ব্যবসায়ী ও জু’য়ারি বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার পর থেকে পারইল হাটখোলাপাড়া গ্রামের কিছু লোকজন বুঝতে পারে ওই হাটখোলাপাড়া গ্রামের এক বাড়িতে নারী ও পুরুষ অ’সামাজিক কা’র্যকলাপে লিপ্ত হয়েছে।

এমন সন্দেহে স্থানীয় ১৫-২০ জন লোকজন রাত সাড়ে ১২ টার দিকে ওই বাড়ি ঘেরাও করে একটি ঘর থেকে তাদের দুইজনকে আটক করে। আটক যুবক হলেন, পারইল হাটলোখাপাড়া গ্রামের সাবাজের ছেলে মোস্তাফা ওরফে মোস্ত ও আটক নারী বেলঘড়িয়া গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রী। আটক যুবক ও প্রবাসীর স্ত্রীর মধ্যে প্রায় ৬-৭ মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। এ ব্যাপারে রাণীনগর থানার এসআই সেলিম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের দুইজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে শনিবার বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে চারদিন ধরে নি’খোঁজ প্রবাসীর স্ত্রী। অনামিকা (২০) নামে ওই গৃহবধু পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের দ্বীপচর বিশ্বাস পাড়ার প্রবাসী ইয়াসিন হোসেন বাবুর স্ত্রী ও একই গ্রামের আনসার আলী বিশ্বাসের মেয়ে। ওই গৃহবধুর ৩ বছরের ১টি ছেলে সন্তান রয়েছে বলেও জানা গেছে।

এ ঘটনায় অনামিকার বাবা ও শ্বশুর পক্ষের লোকজন একে অপরকে দায়ি করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে ঘটনাটি পরকীয়াজনিত বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছেন। নি’খোঁজের মামা জাহিদুল ইসলাম পল্লব জানান, ৫ বছর আগে অনামিকার সাথে তাদের গ্রামেরই নজরুল ইসলাম আঙ্গুর’র ছেলে ইয়াসিন হোসেন বাবুর সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পর পরই ইয়াসিন কাজের উদ্দেশ্যে বিদেশে চলে যায়। গত ২৪ সেপ্টেম্বর অনামিকা শ্বশুর বাড়ি থেকে নি’খোঁজ হন।

এরপর অনামিকার বাবা ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এ ঘটনায় পাবনা সদর থানায় অনামিকার মামা ওই দিন রাতেই বাদি হয়ে মেয়ের শশুর বাড়ির লোকজনকে দায়ি করে অভিযোগ দায়ের করেন। আর গৃহবধূর শ্বাশুরি হসিনা খাতুন ঘটনার পরদিন থানায় সাধারন ডায়েরি করেন।এ ব্যাপারে পাবনা সদর থানার ওসি (তদন্ত) আসাদুজ্জামান জানান, শনিবার দুপুর পর্যন্ত গৃহবধূকে উদ্ধার করা যায়নি। তবে পুলিশ সতর্কতার সাথে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাকে দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]