সর্বশেষ আপডেট
মেডিকেলে চান্স পেলো রাজমিস্ত্রির মেয়ে জাকিয়া সুলতানা কলেজে না গিয়েও এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নেহা । বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসা করে যা বললেন মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান । বাড়ির নিচতলায় গাড়ী চালকদের জন্য থাকা ও নামাজের ব্যবস্থা করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী । প্রেমের টানে বাংলাদেশে ভারতীয় গৃহবধূ, সীমান্তে উত্তে’জনা । গোয়ালঘরে শিকলে বাঁধা বৃদ্ধা মা বললেন, মোর পোলারা ভালো । সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি হয়নি, কাঁদলেন প্রার্থী । গরু ছেড়ে নারীদের প্রতি বেশি যত্নবান হোনঃ মোদিকে এক নারী । যে কারণে তুহিনকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করলেন বাবা । পিয়ন থেকে যেভাবে ১২০০ কোটি টাকার মালিক যুবলীগের আনিস ।
স্পা সেন্টার গুলোতে অনৈতিক কাজ, আটক ১৬ নারী ।

স্পা সেন্টার গুলোতে অনৈতিক কাজ, আটক ১৬ নারী ।

রাজধানীর গুলশানের নাভানা টাওয়ারের তিনটি স্পা সেন্টারে অভিযান চালিয়ে ১৬ নারী, ৩ পুরুষসহ ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে।

অভিজাত এলাকা গুলশানের নাভানা টাওয়ার। টাওয়ারটির ভেতরে রয়েছে বেশ কিছু স্পা সেন্টার। স্পা সেন্টারগুলো হলো লাইফ স্টাইল অ্যান্ড হেলথ ক্লাব, রেসিডেন্ট সেলুন অ্যান্ড স্পা-২ ও ম্যাংগু স্পা। গতকাল রবিবার রাত ৮টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ঐ টাওয়ারের স্পা সেন্টারগুলোতে অভিযান চালানো হয়। পুলিশ বলছে, স্পা বা সেলুনের আড়ালে ঐ সব প্রতিষ্ঠানে যৌন ব্যবসা চালানো হতো। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এ অভিযান চালিয়েছে।

অভিযানের ব্যাপারে ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, গোয়ন্দা তথ্য ও অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ নাভানা টাওয়ারের ১৮, ১৯ ও ২০তম ফ্লোরে তিনটি স্পা সেন্টারে অভিযান চালায়। এই তিন সেন্টার থেকে ১৬ নারী ও ৩ পুরুষকে আটক করা হয়। আটককৃতদের থানায় পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও দ্রুত মামলা করা হবে।

তিনি আরো বলেন, অভিযানের পাশাপাশি পুলিশ খোঁজ-খবর নিচ্ছে এসব ব্যবসার সঙ্গে কারা জড়িত এবং কারা এসব প্রতিষ্ঠানের মালিক। তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

অন্যরা যা পড়ছে… রাজধানীর মাফিয়া ঠিকাদার জি কে শামীমের কললিস্টে ছয় মন্ত্রীর নাম পাওয়া গেছে। জি কে শামীমকে যখন শুক্রবার সকালে গোয়েন্দা পুলিশ তার কার্যালয় থেকে আটক করে তখন তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছেন। প্রথমে একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী শামীমের ফোন ধরলেও তার বাসায় র‍্যাব এসেছে শুনে তিনি ফোন কেটে দেন।

এরপর শামীম তাকে আরও কয়েকবার ফোন করলেও ওই মন্ত্রী আর ফোন ধরেননি। এরপর একে একে আরও কয়েকজনকে প্রভাবশালী ব্যক্তিকে ফোন করেন শামীম। তবে এদের সবাই তাকে এড়িয়ে যান। প্রভাবশালী ছয় মন্ত্রীর সঙ্গে শামীমের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল বলে জানা গেছে। বিভিন্ন টেন্ডারে কাজ পেতে এই মন্ত্রীরা তাকে সহায়তা করতেন।

রিমান্ডে থাকা জি কে শামীম বলেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর দু’একজন ছাড়া শীর্ষমহলের সবার সঙ্গেই তার যোগাযোগ ছিল। সবাইকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে সহায়তা করেছেন। জি কে শামীম আরও দাবি করেছেন যে, বিপুল পরিমান টাকা তিনি টেন্ডারে কাজ পাওয়ার জন্য শীর্ষমহলকে ঘুষ দিয়েছেন।

টাকা ছাড়া কেউ তাকে কাজ দেয়নি। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে যে, জি কে শামীম যে তথ্যগুলো দিয়েছেন সেগুলো সত্য কিনা তা যাচাই করে দেখতে হবে। কারণ একজন ব্যক্তি গ্রেপ্তার হলে বাঁচার জন্য যে অনেককিছুর আশ্রয়ই গ্রহণ করে। তবে একটি বিষয় গোয়েন্দা সংস্থা ইতিমধ্যেই প্রমাণ পেয়েছে যে যুবলীগ বা আওয়ামী লীগের নেতা হলেও জি কে শামীম নিয়মিত বিএনপিকে টাকা দিতেন। এই টাকার হিসাব লেখা একটা খাতারও সন্ধান পেয়েছে গোয়েন্দারা। সুত্রঃ বাংলা ইনসাইডার।

আরো খবর… যুবলীগ নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে আটক করেছে র‌্যাব। শুক্রবার রাজধানীর নিকেতনের অফিস থেকে তার ৬ দেহরক্ষীসহ আটক করা হয়।দেহরক্ষীদের মধ্যে প্রধান দেহরক্ষী শহীদুল মুরাদ কামাল ও জাহিদের পরিচয় পাওয়া গেছে।

নিকেতন ৪ নম্বর রোডের ১১৪ নম্বর ভবনে জিকেবি কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড শামীমের বাণিজ্যিক কার্যালয়।জিকে শামীম যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক। একই সঙ্গে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি।

জানা গেছে, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকাকালে শামীম ছিলেন ঢাকা মহানগর যুবদলের সহ সম্পাদক এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক গণপূর্ত মন্ত্রী মির্জা আব্বাসের ঘনিষ্ঠ। এখনও তার অফিস ভবনে তল্লাশি চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]