সর্বশেষ আপডেট
রাজধানীতে আড়ংয়ের ট্রায়াল রুমে তরুণীর গোপন ভিডিও ধারণ, অতঃপর…

রাজধানীতে আড়ংয়ের ট্রায়াল রুমে তরুণীর গোপন ভিডিও ধারণ, অতঃপর…

রাজধানীর বনানীতে আড়ংয়ের একটি শো-রুমের ট্রায়াল রুমে তরুণীর গোপন ভিডিও ধারণ করার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সিরাজুল ইসলাম সজীব নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার ক্রাইম ইউনিট। গ্রেফতার যুবক আড়ংয়ের এই শাখার সাবেক কর্মী। জানা গেছে, সিরাজুল ইসলাম সজীব নামের ওই যুবক গত ১১ জানুয়ারি রাতে এক তরুণীর ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ট্রায়াল রুমে পোশাক পরিবর্তনের ভিডিও পাঠান। পরে তরুণীকে কু-প্রস্তাব দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করেন।

প্রস্তাবে রাজি না হলে তার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ারও হুমকি দেন। ১৬ জানুয়ারি ওই তরুণী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন। মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী ওই তরুণী অভিযোগ করে বলেন, গত ১১ জানুয়ারি রাতে বনানীর আড়ংয়ের সাবেক সহকর্মী সজীব তার ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ওই ওয়াশ রুমে আমার পোশাক পরিবর্তনের ভিডিও পাঠান। পরে নানা কু-প্রস্তাব দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করেন। প্রস্তাবে রাজি না হলে তার ভিডিও সামাজিক

যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ারও হুমকি দেন সজীব। অভিযোগের ভিত্তিতে ডিএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিট ২৫ জানুয়ারি তাকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে ওই তরুণীসহ আরও কয়েকজনের গোপন ভিডিও পাওয়া যায়।এ বিষয়ে সাইবার ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) নাজমুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আড়ং স্ব-উদ্যোগে আমাদের কাছে এসে বিষয়টি অবহিত করেছে। তারা আসামির বিষয়ে সবধরনের তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তা করেছে। বর্তমানে ওই আসামিকে ১ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

আজকের আলোচিত খবর… মায়ের মৃ’ত্যুর শো’ক কাটতে না কাটতেই চলে গেলো আবির।সোমবার দুপুর পৌনে বারোটা। স্কুলের ফেয়ারওয়েলে অংশগ্রহণ করার জন্য ওয়ারী উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন এসএসসি পরীক্ষার্থী উপস্থিত হন ওয়ারী স্ট্রীট সড়কের মোড়ে। যাদের মধ্যে একজন ছিলো আবির হোসেন। জড়ো হওয়াদের উদ্দেশ্য ছিলো সেখান থেকে সবাই একসাথে স্কুলে ঢুকবে। কিন্তু তাদের সে উদ্দেশ্য পূরণ হয়নি। জড়ো হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই দ্রুত গতিতে আসা ওয়াসার একটি গাড়ি পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় প্রথমে আবিরকে ধাক্কা দেয়।

এসময় পড়ে যায় আবির, পড়ে তার মাথার উপর দিয়ে গাড়িটি চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃ’ত্যু হয় আবিরের।পরে স্থানীয়রা এসে আবীরকে উ’দ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান। অবস্থা বেগতিক দেখে গাড়ি ফেলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন গাড়িচালক। এসময় স্থানীয়রা এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীরা গাড়িচালকে ধরে পু’লিশে সোপর্দ করে। আ’ট’ক করা হয় ঘা’তক গাড়িটিও। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গাড়ির চালক আবিরকে প্রথমে ধাক্কা দেওয়ার পর থেমে গেলে আবিরের মৃ’ত্যু হতো না,

কিন্তু চালক না থেমে উল্টো তার মাথার উপর দিয়ে গাড়ি নিয়ে যান। ওয়ারী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন আবির। সেখানকার শিক্ষার্থীরা জানায়, নি’হত আবিরের বড় ভাই ৮ বছর আগে গু’লিস্তান পার্কের ভেতরে পুকুরে গোসল করতে নেমে ডুবে মা’রা যায়। আর ১১ মাস আগে মা’রা যান আবিরের মা। মা হারা আবির ছিলো স্কুলে সবার আদরের। পড়ালেখায়ও ভালো ছিলো সে। তার মতো মেধাবী শিক্ষার্থীর এমন করুণ মৃ’ত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তারা।

চেয়েছেন ন্যায় বিচার। শিক্ষকরা জানান, পড়ালেখার পাশাপাশি অন্যান্য কার্যক্রমেও আবির ছিলো সবার থেকে এগিয়ে। সামনে এস এস সি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে তার অনেক পরিকল্পনা ছিলো। মায়ের মৃ’ত্যুর শোক কাটতে না কাটতে চলে গেল ছেলেটাও। ঘা’তক ড্রাইভার কেড়ে নিল আবিরের জীবন। আবিরের মৃ’ত্যুর শোকে ভেঙ্গে পড়েছেন তার বাবা। কিছুক্ষণ পর পরই শোকে মুর্ছা যাচ্ছেন। বলছেন, আমা’র ছেলের কি দোষ ছিলো? পরীক্ষার আগে শেষ বারের মতো দেখা করতে এসেছিলো সে। এ মৃ’ত্যু বিচার চেয়েছেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme