সর্বশেষ আপডেট
হিজড়াদের যে কান্ডজ্ঞানহীনতায় নবজাতকের মৃ;ত্যু

হিজড়াদের যে কান্ডজ্ঞানহীনতায় নবজাতকের মৃ;ত্যু

বিভিন্ন সময় তাদের বিরু’দ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে, কিন্তু শিশুদের কোলে তুলে নাচানোর পন্থায় বিরাম টানেননি হিজড়ারা। ভারতের ঝাড়গ্রামে যে ঘটনা ঘটল, তা আগের সমস্ত ঘটনাকে ম্লান করে দিয়েছে।বাবা-মায়ের আপ’ত্তি উড়িয়ে অসুস্থ শিশুকে নিয়ে জোর করে নাচানোর ফলে শ্বাসক’ষ্টে মৃ’ত্যু হল দেড় মাসের ওই বাচ্চার। এই ঘটনায় তিন হিজড়াকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ। জানা গেছে,

ঝাড়গ্রামের শিলদায় শুক্রবার সকালে চন্দন খিলারের বাড়িতে আসেন কয়েকজন হিজড়া। তার সদ্যোজাত সন্তানের জন্মের খবর পেয়েই সেখানে চড়াও হয়েছিলেন তারা। শিশুকে নিয়ে নাচানোর জন্য ১৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু তাতে রাজি না হলে জোর করে খিলার দম্পতির ওপর চড়াও হয় ওই হিজড়ারা।বাবা-মায়ের আপ’ত্তি উড়িয়ে সুমন খিলার নামে ছোট্ট শিশুটিকে উঠানের মধ্যে কোলে তুলে আমোদ আহ্লাদে মেতে উঠেছিলেন।

তখনই অ’সুস্থ হয়ে পরে এক মাস ২০ দিনের শিশুটি। তড়িঘড়ি শিশুটিকে শিলদা প্রাথমিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে শিশুটিকে পাঠানো হয় ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। কিন্তু সুমনকে সেখানেই মৃ’ত বলে ঘোষণা করা হয়।জানা গেছে, সুমন নামে ওই শিশুটির হার্টের সমস্যা ছিল। শুক্রবার দুপুরে এই ম’র্মা’ন্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমেছে গোটা গ্রামে। ঘটনার পরই থানায় অভিযো’গ দায়ের করে শিশুটির পরিবার। ইতোমধ্যেই ৩ হিজড়াকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে। এই সময়।

আরো পড়ুনঃ শহরের ব্যাস্ত সময় রাস্তা ঘাটে, বাসে ট্রেনে, ভিড়ের মাঝে তাদের দেখা যায়। তারা রঙিন মুখে হাত পেতে টাকা চাইতে থাকে। তারা আবদারের সুরে বলে “টাকা দে…”। রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে এই ধরনের কথা আমাদের মাঝে মাঝেই কানে আসে। রক্ত মাংসের তৈরী হলেও তাদের মানুষ বলে গন্য করেনা কেউ। তারা সমাজের অবাঞ্ছিত। কারন তাদের মধ্যে নারী অথবা পুরুষের কোন সম্পুর্ন বিশিষ্ট নেই।

দুই লিঙ্গের অর্ধেক অর্ধেক বিশিষ্ট থাকে তাদের মধ্যে। তাদেরকে দেখতেও হয় একটু অদ্ভুত রকমের। না তাদের ছেলেদের মত দেখতে হয় আর না তাদের মেয়েদের মত দেখতে। তাদের চলতি ভাষায় বলে হিজড়া। আর যারা একটু ভদ্র ভাবে বলে তারা বলে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ। তাদের জীবন কাটে ভিক্ষা করে। অথবা কারোর বাচ্ছা হলে সেখানে নাচ গান করে সেখান থেকে টাকা নিয়ে। এছাড়াও তারা মানুষের বাড়িতে যায়, কিছু টাকা বা অন্য কিছু খাদ্য সামগ্রী দানের আশায়।

তাদের অসহায়তার কথা ভেবে সরকার ২০১৪ সালে তৃতীয় লিঙ্গকে স্বীকৃতি দেয়। তারা আইনগত স্বীকৃতি পেলেও সমাজের সাধারন মানুষ তাদের এখনও ভালো চোখে দেখেনা। তাদের অদ্ভুত শারীরিক গঠনের জন্য তাদেরকে অবহেলিত করে রাখা হয়েছে। তাদেরকে অস্পৃশ্য বলে মনে করা হয়। তারা কোন সামাজিক সুযোগ সুবিধাও পায়না। আর তাই তাদেরকে আয়ের ভিন্ন ধরনের পথ বেছে নিতে হয়, যা সাধারন মানুষের কাছে সমস্যার কারন হয়ে দাড়ায়।

হিন্দু শাস্ত্র বলে এমন কিছু জিনিস আছে যা হিজড়াদের কখনো দান করতে নেই। দিলেই বিপদ ঘনিয়ে আসে জীবনে। সেগুলি হল… ১। স্টিলের বাসন ঃ- অনেকে চাল, ডাল, কাঁচা সবজি দান করার সময় যে পাত্রটিতে দেন সেটিও দান করে দেন। কিন্তু শাস্ত্র বলে তাদের যে বাসনই দেওয়া হোকনা কেনো, স্টিলের বাসন দেওয়া উচিত নয়। দিলে সংসার থেকে সুখ শান্তি দূর হবে আর অশান্তির সৃষ্টি হবে।

২। রূপো ঃ- শাস্ত্রে আরো বলা হয়েছে যে হিজড়াদের কখনোই রূপো বা রূপোর তৈরি কোন জিনিস দিতে নেই। সেটা পরিবারের জন্য খুব খারাপ হয়ে দাঁড়াতে পারে। হিজড়াদের রূপো দিলে সংসারে আর্থিক মন্দা দেখা দেবে। ধীরে ধীরে পরিবার অন্ধকারে ডুবে যাবে। ৩। তেল ঃ- তৃতীয় যে জিনিস দিতে নেই সেটা হল তেল। সে যে ধরনেরই তেলই হোক না কেনো। সরষের তেল, সোয়াবিন তেল বা অন্য যে কোন তেল। শাস্ত্রে বলা হয়েছে হিজড়াদের তেল দিলে আপনার অর্থ ও সম্মান দুই হানি হতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme