সর্বশেষ আপডেট
হিন্দুদের ইয়োগা অনুশীলন করা হচ্ছে ভারতের মসজিদে টাঙ্গাইলে করোনা ভা’ই’রা’স আ’ত’ঙ্কে প্রবাসী স্বামীকে ছেড়ে পালাল স্ত্রী যে কারণে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় তৃতীয়স্থান পাওয়া ঢামেকের শিক্ষার্থীর আ’ত্ম’হ’ত্যা’র চেষ্টা দেহ ব্যবসায় বেশি বিবাহিত নারীরা, ফাঁস হলো গোপন তথ্য… মাহফিল থেকে ফেরার পথে আলোচিত মুফাসসির আব্দুল্লাহ আল-আমিন গ্রেফতার বুয়েটের সেই ইফতি এখন রকেট ইঞ্জিনিয়ার মানবপাচারে এমপি জড়িত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন ‘ভূয়া’ ঢাকায় রেললাইনে সেলফি তোলার সময় ট্রেনের ধাক্কায় কিশোর নিহত তাহসানের মত হ্যান্ডসাম হতে প্লাস্টিক সার্জারি করাচ্ছেন সৃজিত! করোনা আক্রান্ত সন্দেহে টাঙ্গাইলে প্রবাসীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ স্থানীয়দের
হাত-পা বেঁধে গৃহবধূর সাথে যা করলেন স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি…

হাত-পা বেঁধে গৃহবধূর সাথে যা করলেন স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি…

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজে’লায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী’কে নি’র্যাতনের পর চুল কে’টে দেওয়ার অ’ভিযোগে শাহেদ ফকির (৩৮) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রে’প্তার করেছে পু’লিশ।গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ভাঙ্গুড়ার খান ম’রিচ ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আজ শুক্রবার সকালে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ভাঙ্গুড়া থা*নায় মা’মলা দায়ের করেন। পরে শাহেদ ফকিরকে গ্রে’প্তার করে পু’লিশ। মা’মলার এজাহার থেকে জানা গেছে,

যৌতুক দাবি করে বিভিন্ন সময় স্ত্রী’কে মা’রধর করতেন শাহেদ ও তার বাবা-মা। গতকাল রাতেও ভুক্তভোগীকে মা’রধর করেন তারা। গভীর রাতে আবার তারা ওই নারীকে মা’রধর করে মাথার চুল কে’টে দেন।ঘটনার পর আজ ভোরের দিকে ভুক্তভোগী তার স্বামীর বাড়ি থেকে পালিয়ে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নেন। ওই নারী জানান, বিয়ের পর তাদের দুটি সন্তান হয়। তবুও যৌতুকের টাকার জন্য তাকে নি’র্যাতন করা হতো।

তার স্বামী শাহেদ একজন মা’দকসেবী এবং পর’কী’য়ায় আসক্ত।ভুক্তভোগী আরও জানান, শাহেদ ছাড়াও তার শ্বশুর মালেক ফকির ও শাশুড়ি শাহিদা খাতুন বিনা কারণে তাকে মা’রধর করত। গতকাল রাতে তারা সবাই মিলে হাত-পা বেঁধে চুল কে’টে দেয় গৃহবধূর। পরে পালিয়ে এসে সকালে তিনি ভাঙ্গুড়া থা*নায় স্বামী-শ্বশুর-শাশুড়ির বি’রুদ্ধে মা’মলা দায়ের করেন। ভাঙ্গুড়া থা*নার ভারপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) মাসুদ রানা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গৃহবধূ নিজেই মা’মলা দায়ের করেন। শাহেদ ফকিরকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। বাকিদেরও গ্রে’প্তারের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আরো পড়ুনঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ভ’য়ভী’তি দেখিয়ে ভাবীকে ধ’র্ষণের অ’ভিযোগে দেবর মুরসালিন ওরফে লালুকে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ। লালু উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ই’সলামাবাদ গ্রামের জয়নাল মিয়ার ছেলে।সোমবার (২০জানুয়ারি) রাতে ই’সলামাবাদ গ্রামে ভাবীর ঘর থেকে পু’লিশ দেবর লালুকে গ্রে’ফতার করে। পু’লিশ ও মা’মলা সূত্রে জানা যায়, ই’সলামাবাদ গ্রামের প্রবাসীর স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননীকে তার চাচাত দেবর ভ’য়ভী’তি দেখিয়ে কয়েকদিন যাবত একাধিকবার ধ’র্ষণ করে।

বিষয়টি তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনসহ অ’ভিযুক্ত লালুর পরিবারকে জানিয়েও কোনো সুফল না পাওয়ায় অবশেষে ভূ’ক্তভোগী নারী পু’লিশের শরনাপন্ন হন।ভূক্তভো’গী ওই নারী বলেন, লালু আমার চাচাত দেবর। গত দুইমাস আগে সে আমার বাড়িতে ঢুকে এবং কৌশলে আমার গোসলের বি’বস্ত্র কিছু দৃশ্য তার মোবাইলে ক্যামেরা ব’ন্দি করে। পরে এ ছবিগুলো ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়ার ভ’য় দেখিয়ে লালু আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে।

একসময় লালু আমাকে ধ’র্ষণ করার সময়ে সে গোপনে সেই দৃশ্য ভিডিও করে।এসব দেখিয়ে আমাকে জিম্মি করে দিনের পর দিন লালু আমাকে ধ’র্ষণ করে। বিষয়গুলো লালুর পরিবারকে জানিয়েও কোনো প্র’তিকার হয়নি, উল্টো লালু আমাকে ছুড়ি দেখিয়ে প্রা’ণনাশের হু’মকি দেয়। তার অ’ত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে অবশেষে আমি পু’লিশকে বিষয়টি জানাই। সোমবার রাতেও সে আমাকে ধ’র্ষণ করতে আমার বাড়িতে আসে। এসময় আমি থা’নায় খবর দিলে পু’লিশ এসে তাকে আমার ঘর থেকে গ্রে’ফতার করে থানায় নিয়ে যায়।

আরো পড়ুনঃ চাকরির প্রলোভনে যশোরের দুই নারীকে ভা,রতে পাচার ও পতিতালয়ে বিক্রি ঘ,টনায় তিনজনের বি,রুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার দুই আসামি স্বামী-স্ত্রীকে গ্রে,ফতার করেছে পুলিশ। ভারত থেকে পালিয়ে আসা এক ভিকটিম পুলিশের কাছে পাচার ও প,তিতালয়ে বিক্রির বিষয়ে অভিযোগ করেন। মঙ্গলবার পুলিশের অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় পাচারকারী যশোর সদর উপজেলার শেখহাটি জামরুল তলা এলাকার আরিফা আক্তার ওরফে পপি বেগম ও তার স্বামী হালিম মোল্যাকে গ্রে**ফতার করা হয়।

এ ঘটনায় তিনজনের নামে মানবপাচার আইনে মামলা করা হয়েছে। মাম*লার অপর আসামি ভারতের সীমা সাহা। বুধবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার এক ভিকটিম পুলিশের ‘ক’ সার্কেল অফিসে অভিযোগ করেন চলতি বছরের ৮ মার্চ প্রতারণা ও প্রলোভন দেখিয়ে ভারতে চাকরি দেয়ার কথা বলে আরিফা আক্তার ওরফে পপি বেগম প্রতিবেশী দুই নারীকে তার বাসায় ডেকে নেন।

সেখান থেকে শহরের চাঁচড়া মোড়ে গিয়ে বাসে ওঠে বেনাপোল হয়ে পুটখালী সীমান্তে নিয়ে যান। সেখান থেকে রাত সাড়ে ৭টার দিকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির হাতে তুলে দেন। সীমান্ত পার হয়ে তাদেরকে ভারতের সীমা সাহা নামে এক নারীর কাছে পাঠানো হয়। সেখানে আরও অনেক বিভিন্ন বয়সী বাংলাদেশি মেয়ে রয়েছে। তারা ভিকটিমকে জানায়, আরিফা আক্তার ওরফে পপি বেগম তাদের বাংলাদেশ থেকে এখানে পাচার করেছেন। সেখানে অবস্থানকালীন বাদীকে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়।

একপর্যায়ে ওই নারীর মুখ ফেসিয়াল ও অন্যান্য চিকিৎসার জন্য ভারতের জেপিনগর নামক স্থানে এক হাসপাতালে রেখে আসেন সীমা সাহা।বাদীকে এক রুমের মধ্যে অজ্ঞান করে ডান বাহুর মাংস কেটে ও পেটের অপারেশনসহ মুখে কসমেটিকস সার্জারি করে। তাদেরকে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হতো। রাজি না হলে নির্ম*ম নি*র্যা*তন করা হতো। তারা সেখান থেকে পালানোর সুযোগ খুঁজতেন। সীমা সাহা তাদেরকে জানান দুই লাখ টাকায় তাদেরকে কিনে নিয়েছেন। দেড় মাস পর রাজ নামে এক ব্যক্তির সহায়তায় ওই দুই নারী পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, গত রমজান মাসে বাদী, বাদীর স্বামী ও এলাকার লোকজন আরিফা আক্তার ওরফে পপি বেগম বাড়িতে গিয়ে পাচার ও পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করার বিষয়ে বললে তারা হুমকি দেন। এরপর মানবাধিকার সংগঠন রাইটস যশোরে অভিযোগ দেন বাদী। তারা তদন্ত করে আইনি সহায়তার জন্য ‘ক’ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম রব্বানি শেখের কাছে পাঠান। তিনি বাদীর কাছ থেকে ঘটনা শুনে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রে*ফতার করেন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার তিনজনের নামে মামলা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme