ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গেলো যুবক, অতঃপর…

ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গেলো যুবক, অতঃপর…

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে বিয়েতে রাজি না হওয়ায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সকালে উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে এ ঘটনায় রোববার দুপুরে ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি মামলা করেছেন।

মামলার অভিযোগে ছাত্রীর বাবা জানান, তার একমাত্র মেয়ে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের সময় উপজেলার ছোটভাকলা ইউনয়নের হাউলি কেউটিল গ্রামের জামিরুল ইসলামের ছেলে রিপন তাকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। এরই মধ্যে রিপনের পরিবার থেকে তার মেয়ের জন্য বিয়ের প্রস্তাব পাঠানো হয়। মেয়ের বিয়ের বয়স না হওয়ায় তিনি তাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা তার মেয়েকে অপহরণের হুমকি দেয়।

তিনি আরও জানান, গতকাল শনিবার সকাল ১০টার দিকে তার মেয়ে বাড়িতে একা ছিল এবং তিনি তার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ছিলেন। ওই দিন বেলা ১১টার দিকে তিনি বাড়িতে এসে দেখেন তার মেয়ে বাড়িতে নেই। এ সময় তিনি রিপনের মোবাইল নম্বরে ফোন করলে তার মেয়ে ‘হ্যালো’ বলার পর ফোনটি কেটে যায়। এরপর থেকে তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিখোঁজ স্কুলছাত্রীকে উদ্ধারে ইতোমধ্যে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ছয়হিষ্যা নদী ঘাট এলাকা থেকে ৩টি ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে থাকা ২২০ ড্রামে রক্ষিত ৪১ হাজার ৮০০ লিটার চোরাই পাম ওয়েল উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১১ এর একটি টিম। এসময় চোরাই তেলের বিষয়টি আইনের আওতায় না আনার জন্য চোরাই তেলের মূলহোতা মো. রফিকুল ইসলাম (৪২) র‌্যাব সদস্যদের ১০ লাখ টাকা ঘুষ দেয়ার চেষ্টা করে। পরে ঘুষের টাকাসহ তেল চোর রফিকুল ইসলামকে আটক করে র‌্যাব। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে এ অভিযানটি চলে এবং শুক্রবার অভিযানের বিষয় নিশ্চিত করে র‌্যাব। শুক্রবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সেন্ট্রাল খেয়াঘাটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক (সিও) কাজী শমসের উদ্দিন এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন র‌্যাব-১১ এর উপ-পরিচালক মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব, র‌্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ। আটক রফিকুল ইসলাম সোনারগাঁয়ের ছয়হিষ্যা গ্রামের মৃত আবুল কাসেম সরকারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক (সিও) কাজী শমসের উদ্দিন জানান, আটক রফিকুল ইসলাম জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে সে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে পাম ওয়েলসহ অন্যান্য ভোজ্য ও জ্বালানি তেল চোরাইভাবে বেচাকেনা করছে। এই চোরাই পাম ওয়েল নারায়ণগঞ্জসহ ঢাকার বিভিন্ন তেল ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করতো। সোনারগাঁয়ের ছয়হিষ্যা ঘাটে বেশ কয়েকটি চোরাই পাম ওয়েলের সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। ওই চোরাই পাম ওয়েলের সঙ্গে ভেজাল তেল মিশিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করা হতো। আর উদ্ধারকৃত চোরাই পাম ওয়েলের মূল্য আনুমানিক ২১ লাখ টাকা।

তিনি আরো জানান, চোরাই তেল কারবারীদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান চলছে। চোরাই তেল ব্যবসায়ীরা ক্ষমতাসীন দলের হলেও তাদেরকে ছাড় দেয়া হবে না। মহাসড়কের পাশেও অনেক অবৈধ চোরাই তেলের দোকান রয়েছে। সেগুলোতেও হাইওয়ে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান পরিচালিত হবে। অন্যরা যা পড়ছে… জাতীয় জরুরি হেল্পলাইন নাম্বার ‘৯৯৯’ ফোন দিয়ে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগ করা হয়। অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকা অবস্থায় মা-মেয়েসহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।ঘটনাটি সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউপির দুলিয়ারবন্দ কলেজ বাড়ি প্রবাসী রানা মিয়ার বাসায় ঘটেছে।বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সোয়া তিনটার দিকে তাদের আটক করে ওসমানীনগর থানা পুলিশ। শুক্রবার তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হচ্ছেন, উপজেলার সাদিপুর ইউপির শেরপুর লামা তাজপুর গ্রামের সাগর চৌধুরী ওরফে আয়না বেগের স্ত্রী দেহপসারিনী রুবিনা বেগম ওরফে রিমা চৌধুরী(৩৮), তার সাবেক স্বামী ব্রিটেন প্রবাসী এজাজ চৌধুরীর মেয়ে ফারজানা চৌধুরী(১৯), উমরপুর ইউপির মাটিহানি গ্রামের আব্দুস সুবহানের ছেলে দিলশাদ আহমদ রাজু(২৮) ও সাদিপুর ইউপির সুরিকোনা গ্রামের হাফিজ নাজির উদ্দিনের ছেলে এহসানুল করিম জাকারিয়া(২০)।

আটককৃত রুবিনা ও তার মেয়ে ফারজানা দীর্ঘদিন ধরে দুলিয়ারবন্দস্থ প্রবাসী রানা মিয়ার বাসায় ভাড়া থেকে অসামাজিক কাজ চালিয়ে আসার অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ জানায়।অভিযানকারী ওসমানীনগর থানার এসআই গাজী মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, পুলিশের বিশেষ সেবা নম্বার ৯৯৯ ফোন দিয়ে বিষয়টি অবগত করা হলে দুলিয়ারবন্দ এলাকার রানা মিয়ার বাসায় অভিযান চালিয়ে অসামাজিকতায় লিপ্ত থাকায় হাতে-নাতে দুই খদ্দরসহ মা রুবিনা ও তার মেয়ে শারমিনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসি।আটককৃত রুবিনা ও শারমিন বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন থেকে দেহ ব্যবসাসহ এলাকার নিরীহ মানুষদের জিম্মি করে টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আল মামুন বলেন, ৯৯৯ -এ ফোন দিয়ে অভিযোগ করা হলে আমাদের বিষয়টি অবহিত করা হয়।

সেখানে থানার এসআই গাজী মোয়াজ্জেম হোসেনসহ সঙ্গীয় ফোর্স পাঠাই। তারা প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পায় এবং সেখানে এতো রাতে কিসের জন্য আসা সে বিষয়ে অবস্থানরতরা কোনো সদুত্তর দিতে পারেন নি। তাই তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসেন অফিসার। আজ তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানান ওসি আল মামুন। তিনি বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে অসামাজিক কার্যকলাপের একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme