ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে

ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে

বাল্যবিয়ে করতে গিয়ে হাতেনাতে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ধরা পড়লেন বর। ম্যাজিস্ট্রেট আসার খবর পেয়ে বরকে ফেলে সবাই পালিয়ে যান। ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর)। জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর আসে নাসিরপুর কোনাপাড়া গ্রামের আবতাব উদ্দিনের ছেলে মো. মনির মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের মাহফুজ মিয়ার সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আজগর আলী এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাহমিনা আকতারসহ একদল পুলিশ বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়। এ সময় খবর পেয়ে কনের অভিভাবকরা গা ঢাকা দেন। পরে বরকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে পুলিশ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আজগর আলী ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও অন্য এক জায়গায়, কিছুদিন আগে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মেয়েকে তালাক দেয়ার পর শ্বাশুড়ি মেয়ের জামাতাকে বিয়ে করায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এবার জানা গেল সেই বিয়ের পেছনের আসল কাহিনী। সেই শ্বাশুড়ি মাজেদা বেগম দাবি করছেন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও অন্যান্য কিছু সামাজিক গণ্যমান্য লোক জো’র করে কা’ণ্ডটি ঘটিয়েছেন। এ নিয়ে ১১ জনকে আ’সামি করে তিনি রবিবার (২৭ অক্টোবর) সকালে আ’দালতে মা’মলা করেছেন।

জানা যায়, গোপালপুর উপজে’লার প্রত্যন্ত ইউনিয়ন হাদিরাতে একটি গ্রাম্য সালিশে ঘটনাটি ঘটে। এখানের মেয়ে নুরন্নাহারের সাথে পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের মোনছেরের বিয়ে হয় গত আগস্ট মাসে। বিয়ের কিছুদিন পর মোনছেরের শ্বাশুড়ি মেয়েজামাইয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। এরপর যখন মোনছের স্ত্রী’ ও শ্বাশুড়িকে তাদের বাড়ি পৌঁছে দিতে আসে তখন নুরুন্নাহার আর এই সংসার করবেন না বলে অ’ভিভাবকদের জানান।

এই নিয়ে সেদিনই সালিশ বসে। সালিশে স্থানীয় ইউপি চেয়ায়ম্যান, ইউপি সদস্যসহ আরো সামাজিক প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ। সালিশের একপর্যায়ে মাজেদা বেগম উত্তেজিত হয়ে নিজ মেয়েকে বলে বসেন, তুই সংসার না করলে আমি সংসার করব তোর জামাইয়ের সাথে।

রাগের মাথায় বলা এই কথাকে ধরে উপস্থিত সালিশের লোকজন অ’ভিযোগ করেন, মেয়েজামাইয়ের সাথে মাজেদার অ’নৈতিক স’ম্পর্ক আছে। এরপর তারা নুরুন্নাহারকে বাধ্য করেন জামাইকে তালাক দিতে এবং জামাই মোনছেরকে বাধ্য করেন শ্বাশুড়ি মাজেদাকে নিয়ে করতে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]