সর্বশেষ আপডেট
পবিত্র কোরআনের হাফেজের মুখে লাথি মেরেছিল বুয়েট ছাত্রলীগ সভাপতি । মা’রতে মা’রতে ঘে’মে যায় অনিক, পা ধরে অ’নুনয় করেছিলো আবরার । যৌ’নপল্লীতে যাওয়া পুরুষদের গোপন তথ্য ফাঁ’স । গাছে ঝুলন্ত শিশুর পেটে বিদ্ধ দুটি ছুরিতে দুজনের নাম । দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো থাকলে বিনা মূল্যে হজ্জ পালনের সুযোগ দিতামঃ ইমরান খান । হাজারো ভক্তের হৃদয় ভেঙে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন সাবিলা নূর । বিসিএস সিলেবাস, যার শুরু আছে কিন্তু শেষ বলে কিছু নেই । লাক্স সুন্দরী এখন স্বামীসহ বিসিএস ক্যাডার । আবরার ফাহাদকে নিয়ে ভারতীয় তরুণীর যে হৃ*দয়*স্পর্শী স্ট্যাটাস ভা*ইরাল । চোখে নেই আলো, কুরআনের আলোয় আলোকিত ওরা তিন হাফেজ ।
কুমিল্লায় সিজদাহরত অবস্থায় মাদ্রাসা ছাত্রের মৃ’ত্যু ।

কুমিল্লায় সিজদাহরত অবস্থায় মাদ্রাসা ছাত্রের মৃ’ত্যু ।

কুমিল্লার মুরাদনগরে নামাজ পড়ার সময় সিজদাহরত অবস্থায় আব্দুল আজিজ (১৭) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রের মৃ’ত্যু হয়েছে। সোমবার জোহরের নামাজের দ্বিতীয় রাকাতে সিজদাহরত অবস্থায় মুরাদনগর উপজেলার জামিয়া ইসলামিয়া মোজাফফারুল উলূম মাদ্রাসার কাফিয়া জামাতের ছাত্র আজিজ মৃ’ত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

আজিজ মুরাদনগর উপজেলার কামারচর গ্রামের আমীর হোসেন ছেলে। পরিবারে দুই ভাই চার বোনের মধ্যে আজিজ মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতো। বাদ মাগরিব জানাজা শেষে গ্রামের ক’বরস্থানে আজিজের লা;শ দাফন করা হয়।

মাদ্রাসার পরিচালক মুফতি আমজাদ হোসাইন বলেন, আজিজ খুবই ভদ্র ছেলে ছিল। পড়াশোনার প্রতি তার দারুণ আগ্রহ ছিল। সব ওস্তাদরাই ছেলেটিকে ভালোবাসতেন। আমি আজিজের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে মাগফিরাত কামনা করি।

আরো পড়ুন… বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন। নামাজ পড়াই কী তার ভাইয়ের অপরাধ এমন প্রশ্ন ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজের।তিনি বলেন, ‘আজ সকাল ১০টার দিকে বাবার কাছে ফোন করেন ফাহাদ ভাইয়ের এক রুমমেট। প্রথমে ফোন করে অসুস্থতার কথা জানালেও কিছুক্ষণ পর ফোন দিয়ে আবরার ফাহাদের মৃ’ত্যুর খবর দেন তিনি। স্কুল জীবন থেকেই আমার বড়ভাই খুব মেধাবী। ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন ছিল তার।

কোন রাজনৈতিক দল বা কোনো সংগঠনের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তো। নামাজ পড়াই কী আমার ভাইয়ের অপরাধ? ছোট ভাই ফাইয়াজ আরও বলেন, ‘ছুটিতে বাড়িতে এলেই সবসময় বই পড়া নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। মাঝে মাঝে দুই ভাই একসাথে হয়ে রিকশা করে কুষ্টিয়া শহরের অলিগলিতে ঘুড়াঘুড়ি করতাম। এখন আর দুই ভাই একসাথে ঘুড়াঘড়ি করা হবে না ভাবতে বুক ফেটে যাচ্ছে।

ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে বিদেশে পাড়ি দিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্ন ছিল ফাহাদ ভাইয়ের। মৃ’ত্যু তার সেই স্বপ্নকে পূরণ হতে দিল না। কি অপরাধ ছিলো আমার ভাইয়ের? কেনোই বা ছাত্রলীগের নেতাকমীরা আমার ভাইকে হ’ত্যা করলো? জানি সবকিছুই ম্যানেজ হয়ে যাবে। বিচার আর হবে না বলে সংশয় প্রকাশ করে হু হু কেদেঁ ফেলেন তিনি। নি’হত আবরার ফাহাদ কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোড এলাকার বরককউল্লাহ ছেলে।’

উল্লেখ্য, সোমবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরে বাংলা হলের আবাসিক ছাত্র আবরার ফাহাদের রহ’স্যজনক মৃ’ত্যু হয়। তিনি ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বষের ছাত্র। সকালে সহপাঠিরা আবরারকে হলের সিঁড়িতে পড়ে থাকতে দেখে। কয়েকজন সহপাঠী অ’চেতন অবস্থায় আবরারকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে। পরে চিকিৎসক তাকে মৃ’ত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছাত্রলীগের চারজন নেতাসহ ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া আবরার হ’ত্যার ঘটনায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে বিক্ষোভ- সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। তার মৃ’ত্যুতে শুধু পরিবারের সদস্যদের মধ্যে নয়, এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সারাদেশ ও কুষ্টিয়া জেলাজুড়ে চলছে নানান সমলোচনা।

বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পি’টিয়ে হ’ত্যার ঘটনায় ছাত্রলীগের ১০-১২ জন নেতাকর্মীর জড়িত থাকার খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মা’রধর করেছে ম’দ্যপ অনিক। রোববার রাত ৮টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত ফাহাদের ওপর নি’র্মম নি’র্যাত’ন চলে।এ হত্যার সাথে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে ইতোমধ্যে ১১ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহি’ষ্কারকৃতরা হলেন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ, সাংগঠিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিওন, সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, উপ-সমাজ সেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপ-দপ্তর সম্পাদক মুজতবা রাফিদ, সদস্য মুনতাসির আল জেমি, এহেতসামুল রাব্বি তানিম ও মুজাহিদুর রহমান।

প্রসঙ্গত, রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলের নিচতলা থেকে আবরার ফাহাদের ম’রদেহ উদ্ধার করা হয়। শিবির সন্দেহে ছাত্রলীগের কর্মীরা তাকে পি’টিয়ে হ’ত্যা করে বলে অভিযোগ করেছে শিক্ষার্থীরা।নি’হত ফাহাদ বুয়েটের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ায়। তিনি থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে হওয়া চুক্তি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে রোববার রাতে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষের ভেতর ‘শিবির’ আখ্যা দিয়ে আবরারকে পি’টিয়ে হ’ত্যা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ মুজাহিদকে হ’ত্যার ঘটনার বিচারপ্রাপ্তিতে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফের সহায়তা চেয়েছেন তার বাবা বরকত উল্লাহ। সোমবার (৭ অক্টোবর) রাতে বুয়েটের কেন্দ্রীয় মসজিদে জা’নাজার নামাজের আগে মাহবুব-উল-আলম হানিফকে মোবাইল ফোনে হ’ত্যাকা’ণ্ডের বিষয়ে অবহিত করেন তিনি।

মোবাইল ফোনে আবরারের বাবা হানিফকে বলেন, আমার ছেলে কোন পার্টি করতো না। আমার বাবা শুরু থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন। আমরা পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি। আমার ক্ষতি হয়ে গেলো! আমি আমার ছেলের বিচারের জন্য আপনার সহযোগিতা চাই।

গতকাল রোববার দিবাগত রাত তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই বাংলা হলের নিচতলা থেকে আবরার ফাহাদের লা’শ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁকে পি’টিয়ে হ’ত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরেবাংলা হলের একাধিক কক্ষে নিয়ে মারধরের কারণেই মারা যান শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। গোয়েন্দা সংস্থার বক্তব্য অনুযায়ী, ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার গ্রন্থনা ও গবেষণা সম্পাদক এবং মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্টের ১৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইশতিয়াক মুন্নার নির্দেশেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজন ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘বুয়েট শিক্ষার্থী ফাহাদ হত্যার ঘটনায় শনাক্ত ৯ জনকে আটক করেছি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ পেয়েছি। সেটা পর্যালোচনা করছি।’

আটক ৯ জন হলেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি মুস্তাকিম ফুয়াদ, সহ-সম্পাদক আশিকুল ইসলাম বিটু, উপ-দফতর সম্পাদক মুজতবা রাফিদ, উপ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপ-আইন সম্পাদক অমিত সাহা, ক্রীড়া সম্পাদক সেফায়েতুল ইসলাম জিওন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার এবং গ্রন্থনা ও গবেষণা সম্পাদক ইশতিয়াক মুন্না।

রবিবার (৬ অক্টোবর) রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে আবরারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে পিটিয়ে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে একটি গোয়েন্দা সংস্থা সূত্র বলছে, আবরার গত শনিবার (৫ অক্টোবর) ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। পরে সেটি ইশতিয়াক মুন্নার নজরে আসে। তিনি একই হলের শিক্ষার্থী বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আশিকুল ইসলাম বিটু, উপ-দফতর সম্পাদক মোস্তফা রাফি, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপ-আইন সম্পাদক অমিত সাহা, ক্রীড়া সম্পাদক মেজবাউল ইসলাম জিয়ন ও তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকারকে বিষয়টি জানিয়ে আবরারকে ডেকে আনার নির্দেশ দেন।

এরা সবাই ১৬ ও ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে দুজন রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আবরারকে ডেকে ২০১১নং কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে নেওয়ার পর আবরারের কাছ থেকে মোবাইল ফোন নেওয়া হয়। তার ফেসবুক মেসেঞ্জার চেক করাসহ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর শুরু হয় মারধর। একপর্যায়ে আবরার অচেতন হয়ে পড়লে কোলে করে মুন্নার কক্ষে (২০০৫নং) নেওয়া হয়।

সেখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে দোতলা ও নিচতলার সিঁড়ির মধ্যবর্তী জায়গায় অচেতন আবরারকে নিয়ে যান তারা। এরপর হল প্রভোস্ট ও চিকিৎসককে খবর দেওয়া হয়। চিকিৎসক এসে আবরারকে মৃত ঘোষণা করেন। তখন কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর দেয়। কৃষ্ণপদ জানান, এই ঘটনায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মামলায় আবরারের বাবা বাদী হবেন।

বুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে হত্যার ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (৭ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এদিকে এই মামলা থেকে রহস্যজনক ভাবে বাদ পড়েছে এই হত্যাকান্ডের অন্যতম অভিযুক্ত বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক উপ সম্পাদক অমিত সাহা। খোঁজ নিয়ে জানা যায় সে শেরে- বাংলা হলের ২০১১ নং রুমে থাকতো যে রুমে আবরারকে ্নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আবরারের একাধিক সহপাঠি অভিযোগ করে বলেন, এই হত্যাকান্ডের সাথে আমিত সাহা সরাসরি সম্পৃক্ত কিন্ত রহস্যজনকভাবে মামলার এজহার থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন্য পথ পত্রিকা ও টেলিভিশনেও তার সমপৃক্ততার খবর প্রচার করা হলেও তাকে আইনের আওতায় নেওয়া হয় নি। অনতিবিলম্বে তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এদিকে এ ঘটনায় ছাত্রলীগের গঠিত দুই সদস্যের তদন্ত কমিটির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংগঠনটির বুয়েট শাখা থেকে ১১ নেতাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। এই লিস্টের মধ্যেও তার নাম খুঁজে পাওয়া যায় নি।

অপরদিকে মামলার এক নম্বর আসামি করা হয়েছে মেহেদী হাসান রাসেল (২৪) কে। তিনি ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার সাধারণ সম্পাদক। তার বাবার নাম রুহুল আমিন, গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের সালথা থানাধীন সূর্যদিয়া রাংগারদিয়ায়। বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ৩০১২ নম্বর রুমের শিক্ষার্থী। দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে মুহতাসিম ফুয়াদ(২৩) কে। তিনি ছাত্রলীগ বুয়েট শাখার সহ-সভাপতি। তার বাবার নাম আবু তাহের। গ্রামের বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়ার দৌলতপুর লাঙ্গলমোড়ায়। একই হলের ২০১০ নম্বর কক্ষের শিক্ষার্থী। মামলার তিন নম্বর আসামি করা হয়েছে অনিক সরকার (২২) কে।

ছাত্রলীগ বুয়েট শাখার তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক। তার বাবার নাম আনোয়ার হোসেন। গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর মোহনপুর থানাধীন বড়ইকুড়িতে। একই হলের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। এ মামলার চার নম্বর আসামি ছাত্রলীগ বুয়েট শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন (২২)। তার বাবার নাম মাকসুদ আলী। গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর পবা থানাধীন চৌমহানীর কাপাসিয়ায়। একই হলের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। পাঁচ নম্বর আসামি- ইফতি মোশারফ সকাল (২১)।

ছাত্রলীগ বুয়েট শাখার উপ সমাজসেবা সম্পাদক। বাবার নাম ফকির মোশারফ হোসেন। স্থায়ী ঠিকানা রাজবাড়ী সদরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ৩৯৫ নম্বর বাসা। একই হলের ২০১১ নম্বর কক্ষের ও বায়ো মেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচ। মামলার ছয় নম্বর আসামি মনিরুজ্জামান মনির (২১)। ছাত্রলীগ বুয়েট শাখার সাহিত্য সম্পাদক। বাবার নাম মাহতাব আলী। গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থানাধীন ভাঙ্গারীপাড়ায়। একই হলের পানি সম্পদ বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

সাত নম্বর আসামি- মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন (২২)। ছাত্রলীগ বুয়েট শাখার ক্রীড়া সম্পাদক। বাবার নাম শহিদুল ইসলাম। গ্রামের বাড়ি রংপুরের মিঠাপুকুর থানাধীন শঠিবাড়ী এলাকায়। একই হলের মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। ৮ নম্বর আসামি হলো মাজেদুল ইসলাম (২১)। সাংগঠনিক পরিচয় পাওয়া যায়নি। ঠিকানাও অজ্ঞাত। শেরেবাংলা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও ম্যাটেরিয়াল অ্যান্ড ম্যাটার্লজিক্যাল বিভাগের ১৭তম ব্যাচ।

৯ নম্বর আসামি মোজাহিদুল ওরফে মোজাহিদুর রহমান (২১)। বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সদস্য। ঠিকানা অজ্ঞাত। বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ৩০৩ নম্বর কক্ষের শিক্ষার্থী ও ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচ। ১০ নম্বর আসামি হলো- তানভীর আহম্মেদ (২১)। সাংগঠনিক পরিচয় ও ঠিকানা অজ্ঞাত। একই হলের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। ১১ নম্বর আসামি হলো হোসেন মোহাম্মদ তোহা (২০), সাংগঠনিক পরিচয় ও ঠিকানা অজ্ঞাত।

একই হলের ২১১ নম্বর কক্ষের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। ১২ নম্বর আসামি হলো- জিসান (২১), সাংগঠনিক পরিচয় ও ঠিকানা অজ্ঞাত। একই হলের ৩০৩ নম্বর কক্ষের ছাত্র ও ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। এ মামলার ১৩ নম্বর আসামি হলো- আকাশ (২১), সাংগঠনিক পরিচয় ও ঠিকানা অজ্ঞাত। শেরেবাংলা হলের ১০০৮ নম্বর কক্ষের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

১৪ নম্বর আসামি হলো- শামীম বিল্লাহ (২০), সাংগঠনিক পরিচয় ও ঠিকানা অজ্ঞাত। একই হলের মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। ১৫ নম্বর আসামি হলো- শাদাত (২০), সাংগঠনিক পরিচয় ও ঠিকানা অজ্ঞাত। একই হলের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। ১৬ নম্বর আসামি হলো এহতেশামুল রাব্বি তানিম (২০), ছাত্রলীগের বুয়েট শাখা কমিটির সদস্য। ঠিকানা অজ্ঞাত। একই হলের কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

১৭ নম্বর আসামি হলো- মোর্শেদ (২০), সাংগঠনিক পরিচয় ও ঠিকানা অজ্ঞাত। একই হলের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। ১৮ নম্বর আসামি হলো- মোয়াজ (২০)। সাংগঠনিক পরিচয় ও ঠিকানা অজ্ঞাত। একই হলের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। ১৯ নম্বর আসামি হলো- মুনতাসির আল জেমি (২০), ছাত্রলীগ বুয়েট শাখার সদস্য। ঠিকানা অজ্ঞাত।

একই হলের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

এর আগে, এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে শনাক্ত করে বুয়েটের ৯ জন ছাত্রলীগ নেতাকে পুলিশ আটক করেছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়। উল্লেখ্য, ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেওয়ার জের ধরে আবরার ফাহাদ (রাব্বি)-কে রবিবার (৬ অক্টোবর) রাতে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ লাশের ময়নাতদন্ত করেন। তিনি বলেন, ‘ছেলেটিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’ নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]