সর্বশেষ আপডেট
মেডিকেলে চান্স পেলো রাজমিস্ত্রির মেয়ে জাকিয়া সুলতানা কলেজে না গিয়েও এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নেহা । বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসা করে যা বললেন মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান । বাড়ির নিচতলায় গাড়ী চালকদের জন্য থাকা ও নামাজের ব্যবস্থা করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী । প্রেমের টানে বাংলাদেশে ভারতীয় গৃহবধূ, সীমান্তে উত্তে’জনা । গোয়ালঘরে শিকলে বাঁধা বৃদ্ধা মা বললেন, মোর পোলারা ভালো । সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি হয়নি, কাঁদলেন প্রার্থী । গরু ছেড়ে নারীদের প্রতি বেশি যত্নবান হোনঃ মোদিকে এক নারী । যে কারণে তুহিনকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করলেন বাবা । পিয়ন থেকে যেভাবে ১২০০ কোটি টাকার মালিক যুবলীগের আনিস ।
ইউরোপ পাড়ি দিতে গিয়ে বাংলাদেশিসহ যেভাবে ১হাজার মানুষের মৃ’ত্যু হলো ।

ইউরোপ পাড়ি দিতে গিয়ে বাংলাদেশিসহ যেভাবে ১হাজার মানুষের মৃ’ত্যু হলো ।

ইউরোপে পাড়ি দিতে গিয়ে এ বছর এখন পর্যন্ত ভূমধ্যসাগরে ডুবে মা’রা গেছেন কমপক্ষে ১০০০ মানুষ। এর মধ্যে রয়েছেন বেশ কয়েকজন বাংলাদেশীও। ৬ষ্ঠ বছরের মতো এবার এই মাইলফলক স্পর্শ করেছে এই সংখ্যা। এমন কথা বলেছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক এজেন্সি ইউএনএইচসিআর। গত মঙ্গলবার এই এজেন্সি এ বছর শেষ হওয়ার তিন মাস আগেই এ নিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে।

তাতে ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র চার্লি ইয়াক্সলে বলেছেন, তার এজেন্সি জরুরি ভিত্তিতে উদ্ধার ও অনুসন্ধান সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান জানাচ্ছে। একই সঙ্গে উদ্ধার অভিযানে ইউরোপিয় ইউনিয়নের নৌযানকে ফেরত আনার দাবিও জানান। এনজিও বোটগুলোকে সমুদ্রে জীবন রক্ষার জন্য তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে স্বীকার করে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম)-এর মতে, ২০১৪ সাল থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে কমপক্ষে ১৮ হাজার মানুষ প্রা’ণ হা’রিয়ে’ছেন। এক বছরের বেশি সময় হলো, সমুদ্রে দুর্বল বোটগুলো থেকে শরণার্থী ও অভিবাসীদের উদ্ধারে যেসব মানবিক দায়িত্বসম্পন্ন জাহাজ কাজ করতো তাদেরকে আর কোনো শরণার্থী অথবা অভিবাসীকে তাদের জাহাজে তুলতে এবং তাদেরকে তীরে নামিয়ে দেয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে ইতালি ও মালটায়।

ইতালির অভিবাসন বিরোধী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাত্তিও সালভিনি পর্যন্ত এমন উদ্ধারকারী জাহাজের ক্রুদের জেলে পাঠানোর হু’মকি দিয়েছেন। এই দুই দেশের এমন অনড় অবস্থানে এক অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আগে তারা সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা শরণার্থীদের ঠাঁই দিত কয়েক সপ্তাহ। তারপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো সেই শরণার্থীদের মধ্য থেকে অন্তত কিছু সংখ্যককে গ্রহণ করতো। তারা ইউরোপে নিরাপদ ও উন্নত জীবন ফিরে পেতেন।–ইনকিলাব

আরো জানুন… রাবি প্রতিনিধিঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলিত গণিত বিভাগের তিন শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার বিভাগে ৫০৩ নং কোর্স ক্লাস নেওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার নিয়ন বিশ্বাস অর্ক, আশিক ইসলাম, মুক্তাদির বাধন। এরা সবাই ফলিত গণিতের ২০১৩-১৪ সেশনের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, মঙ্গলবার ১১টায় এমএসসির ৫০৩ কোর্স চলাকালীন সময়ে পড়াশোনার বিষয়ে আলোচনা করছিলাম। এমতাবস্থায় কোর্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ক্লাসের বেঞ্চ থেকে উঠিয়ে সামনের মঞ্চে নিয়ে সকল শিক্ষার্থীদের সামনে মারধরের করেন।

এ বিষয়ে প্রফেসর ড. মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, ক্লাসের মধ্যে তারা চাকুরি বিষয়ে পড়াশুনা করে। দীর্ঘ দিন যাবৎ নিষেধ করে আসছি। আজকে নিজের সন্তান হিসেবে একটু বকা ঝকা করেছি। তবে তিনি মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেন।

আরো পড়ুন… আমার মা রেস্টুরেন্ট (Restaurant) কথাটি উচ্চারণ করতে পারেন না। এমনকি রেস্টুরেন্টে যেতেও বি’ব্রত বোধ করেন। চাকরি পাওয়ার পর অনেকবার চেষ্টা করেছি, একবার পেরেছি নিতে, তাও আমার ছেলের অনুষ্ঠানে। এমনকি তিনি ছবিও তুলতে চান না। এটাই মায়ের সঙ্গে আমার ফেসবুকে প্রথম ছবি।

আমার মায়ের কথা বলব। আমি শাকিল আল আমিন, নেত্রকোনার সদর উপজেলার কংশ নদীর তীরে মশুয়া গ্রামে কোন এক কাক ডাকা ভোরে মায়ের কোল জু’ড়ে এসেছিলাম। আম্মা আমাকে আবু বলে ডাকেন। সম্ভবত গ্রামের ৯০% মা-ই এই নামে ডাকেন। আমি আজ যতটুকুই পারি এই পর্যন্ত আসতে পেরেছি মানুষের দোয়া আর বাবার সাপোর্টে। কিন্তু আমাদের টানাপোড়েনের সংসারে যিনি শক্ত হাতে হাল ধরে বসে আছেন তিনি আমার মা। আমি জানি এটা বাংলাদেশের প্রায় প্রত্যেক মায়ের গল্প।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করে আমি বেকার ঘুরছি, টিউশন ছেড়ে বিসিএস নামক ব্ল্যাক হোলে ডুবে আছি। তবুও মা বলেছেন কিছু একটা হবে, হয়েছে। আম্মা বিসিএস কি, ক্যাডার কি বুঝেন না, এখন বলেন প্রফেসর। সবাই মাকে যখন প্রফেসরের (গ্রামে লেকচারার কেউ বুঝে না, কলেজের শিক্ষক অথবা প্রফেসর) মা বলে সম্বোধন করেন, তিনি তখন দেখি আনন্দে আ’ত্মহা’রা হয়ে যান। আমার পরীক্ষা থাকলেই তিনি জায়নামাজে বসে দীর্ঘক্ষণ প্রার্থনা করতেন।

একদিনের ঘটনা, ৩৬তম বিসিএসের ভাইভা দিয়ে বাড়িতে গেলাম, খেয়াল করে দেখলাম আম্মার কানের দুল কানে নেই, দেখতে খালি খালি লাগছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম আম্মা কানের দুল কই? আম্মা থতমত খেয়ে বললেন, গোসল করতে গিয়ে একটা হা’রিয়ে ফেলেছে তাই আরেকটা খুলে রেখেছেন। পরে দাদির কাছে ঘটনা শুনে আমার চোখের জল সামলাতে পারিনি। আম্মার কাছে ভাইভা দেওয়ার জন্য জুতা ড্রেস কিনতে হবে বলে কিছু টাকা চেয়েছিলাম, তিনি দিয়েছিলেন, দুল বিক্রি করে।

এমন অনেক অনেক হৃ’দয়স্প’র্শী ঘটনা ঘটেছে আমাদের লেখাপড়া করাতে, তা এখন আস্তে আস্তে জানছি। পৃথিবীতে এমন কেউ কি আছেন? মায়ের মতো। পৃথিবীতে কোন খারাপ মা নেই। নি’স্বার্থ, নির্ভেজাল, নিখাদ ভালবাসা হলো মা। প্রত্যেক সন্তানের জন্য মা এক অপরিসীম অনুপ্রে’রণা। সকল দুঃসময়ের বটছায়া। মায়ের জন্য অনেক কিছুই করতে ইচ্ছে করে। চাকরি পাওয়ার পর, আশ্বর্য হলাম আম্মা আমার কাছে কিছু চায়না, চায় আমি যেন ভাল থাকি। যাদের মা নেই, তাদের কিছু কি আছে?

আমার মা এখন আর্থ্রাইটিসের রোগী, জানি কুলুর বলদের মতো সংসারের জন্য খেটে তার এই অ’বস্থা হয়েছে। দূর থেকে মাকে শুধু মিস করি। খুব মিস করি। বলি আল্লাহ আমার মাকে তুমি অনেক অনেক ভালো রেখো। আল্লাহ তাকে নেক হায়াত দান করুক। আমি গর্বিত এমন একজন দুখিনী মায়ের সন্তান হতে পেরে। পৃথিবীর সকল মায়ের জন্য দোয়া ও ভালবাসা। মা ভালো থাকবে সবসমই।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]